রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাসে আগের চেয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে —কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী

তানজীর মহসিন :=

বেনাপোল কাস্টম কমিশনার বেলাল হোসাইন চেীধুরী বলেছেন,আমদানি- রফতানি বানিজ্যে পণ্য চালান খালাসে আগের চেয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে বেনাপোল কাস্টমে। শুল্ক ফাঁকি বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করায় কিছু ব্যবসায়ী এ বন্দর দিয়ে আমদানি কমিয়েছেন।

বিশেষ করে রাজস্ব বেশি আসে এমন পণ্য চালান কম আমদানি হচ্ছে। এতে রাজস্ব কিছুটা ঘাটতি হয়েছে। শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের বৈধ সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে আন্তরিক হয়ে কাজ করেছি। দুই বছর ধরে কাস্টম হাউস বেনাপোলে কাজ করেছি। সম্প্রতি বদলি হয়ে ঢাকায় যাচ্ছি। যোগ দেওয়ার পরপরই বেনাপোল উন্নয়নে বাইপাস সড়ক চালু ও এ সড়ক দিয়ে ৬৫ শতাংশ পণ্য খালাস, বেনাপোলের মূল সড়ক যানজটমুক্তকরণ, ভারতে বেশি গাড়ি দেওয়া-নেওয়ার লক্ষ্যে লিংক রোড ১ ও ২ চালুকরণ, লিংক রোড দিয়ে পণ্য গমনাগমন ৯টি থেকে ৩৬টিতে বৃদ্ধি, বেনাপাস সফটওয়্যার উদ্ভাবন, অনলাইন নিলামের প্রস্তুতি সম্পন্ন, কেমিক্যাল টেস্টের জন্য রমন স্পেক্ট্রোমিটার স্থাপন, মেনিফেস্টে ‘ডি’ চিহ্নিত চালান দ্রুত শুল্কায়ন, শুল্কায়ন গ্রুপ ভেঙে ছয়টি থেকে ৯টিতে উন্নীতকরণ, শুল্কায়ন সময় হ্রাসে ফ্লোল্ডার সিস্টেম চালু, শুল্কায়নের গতি মনিটরিং, গ্রিন আমদানিকারকের চালান ‘উ’ মার্ক করে দিনে দিনে খালাসের পদক্ষেপ, আনস্টাফিং শাখা গঠনসহ চোরাচালান ও শুল্ক ফাঁকি উদ্ঘাটনে সোর্স নিয়োগ করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

বিদ্যুৎ গ্যাস ও তেলের মূল্যবৃদ্ধির ক্ষমতা পেল সরকার, বিল পাস

বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাসে আগের চেয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে —কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী

প্রকাশের সময় : ১০:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৯
তানজীর মহসিন :=

বেনাপোল কাস্টম কমিশনার বেলাল হোসাইন চেীধুরী বলেছেন,আমদানি- রফতানি বানিজ্যে পণ্য চালান খালাসে আগের চেয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বেড়েছে বেনাপোল কাস্টমে। শুল্ক ফাঁকি বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করায় কিছু ব্যবসায়ী এ বন্দর দিয়ে আমদানি কমিয়েছেন।

বিশেষ করে রাজস্ব বেশি আসে এমন পণ্য চালান কম আমদানি হচ্ছে। এতে রাজস্ব কিছুটা ঘাটতি হয়েছে। শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের বৈধ সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে আন্তরিক হয়ে কাজ করেছি। দুই বছর ধরে কাস্টম হাউস বেনাপোলে কাজ করেছি। সম্প্রতি বদলি হয়ে ঢাকায় যাচ্ছি। যোগ দেওয়ার পরপরই বেনাপোল উন্নয়নে বাইপাস সড়ক চালু ও এ সড়ক দিয়ে ৬৫ শতাংশ পণ্য খালাস, বেনাপোলের মূল সড়ক যানজটমুক্তকরণ, ভারতে বেশি গাড়ি দেওয়া-নেওয়ার লক্ষ্যে লিংক রোড ১ ও ২ চালুকরণ, লিংক রোড দিয়ে পণ্য গমনাগমন ৯টি থেকে ৩৬টিতে বৃদ্ধি, বেনাপাস সফটওয়্যার উদ্ভাবন, অনলাইন নিলামের প্রস্তুতি সম্পন্ন, কেমিক্যাল টেস্টের জন্য রমন স্পেক্ট্রোমিটার স্থাপন, মেনিফেস্টে ‘ডি’ চিহ্নিত চালান দ্রুত শুল্কায়ন, শুল্কায়ন গ্রুপ ভেঙে ছয়টি থেকে ৯টিতে উন্নীতকরণ, শুল্কায়ন সময় হ্রাসে ফ্লোল্ডার সিস্টেম চালু, শুল্কায়নের গতি মনিটরিং, গ্রিন আমদানিকারকের চালান ‘উ’ মার্ক করে দিনে দিনে খালাসের পদক্ষেপ, আনস্টাফিং শাখা গঠনসহ চোরাচালান ও শুল্ক ফাঁকি উদ্ঘাটনে সোর্স নিয়োগ করা হয়েছে।