শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

এলো বিজয়ের মাস

প্রফেসর জিন্নাত আলী :=

সোমবার ঐতিহাসিক ২রা ডিসেম্বর। আমাদের মুক্তি সংগ্রামের অনন্যোজ্জ্বল একটি দিন। ঊনিশশ একাত্তর সালের এই দিনেই বীরদর্পে লড়াই করে জাতির অহঙ্কার মুক্তিসেনারা আমাদের বিজয় নিশ্চিতের সূত্রপাত করেছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এক সময়ের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পেতে শুরু করেছিল এ দিনের যুদ্ধে।

জয়-পরাজয়ের মধ্য দিয়ে পঁচিশে মার্চের কালো রাতের পর থেকে পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ডিসেম্বরে তা নতুন মাত্রা লাভ করে। আমাদের বীর যোদ্ধাদের অদম্য সাহসিকতা আর দেশপ্রেমে পরিচালিত লড়াইয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে তদানীন্তন পাকিস্তানী বাহিনী।

সম্মুখ সমরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পরাজয়ের ভয়ে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের কাছে সাহায্যের জন্য চিঠি পাঠান। এতে একটুও কমেনি বা দমে যায়নি আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও বীরত্ব গাঁথা। প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য প্রাণপণে লড়তে থাকেন তারা। একাত্তরের ডিসেম্বরে ধর্ম-বয়স নির্বিশেষে মানুষ দেশকে শত্রুমুক্ত করার সংগ্রামে রত হন। পাক দখলদার বাহিনীর হাতেগোনা কিছু সহযোগী ছাড়া গোটা জাতিই প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসবিদরা তাই এ যুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে আখ্যায়িত করেন। যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

বাংলাদেশ ও ভারত হচ্ছে অকৃত্রিম বন্ধু: ভারতীয় হাই কমিশনার

এলো বিজয়ের মাস

প্রকাশের সময় : ০৭:০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৯
প্রফেসর জিন্নাত আলী :=

সোমবার ঐতিহাসিক ২রা ডিসেম্বর। আমাদের মুক্তি সংগ্রামের অনন্যোজ্জ্বল একটি দিন। ঊনিশশ একাত্তর সালের এই দিনেই বীরদর্পে লড়াই করে জাতির অহঙ্কার মুক্তিসেনারা আমাদের বিজয় নিশ্চিতের সূত্রপাত করেছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এক সময়ের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পেতে শুরু করেছিল এ দিনের যুদ্ধে।

জয়-পরাজয়ের মধ্য দিয়ে পঁচিশে মার্চের কালো রাতের পর থেকে পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ডিসেম্বরে তা নতুন মাত্রা লাভ করে। আমাদের বীর যোদ্ধাদের অদম্য সাহসিকতা আর দেশপ্রেমে পরিচালিত লড়াইয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে তদানীন্তন পাকিস্তানী বাহিনী।

সম্মুখ সমরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পরাজয়ের ভয়ে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের কাছে সাহায্যের জন্য চিঠি পাঠান। এতে একটুও কমেনি বা দমে যায়নি আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও বীরত্ব গাঁথা। প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য প্রাণপণে লড়তে থাকেন তারা। একাত্তরের ডিসেম্বরে ধর্ম-বয়স নির্বিশেষে মানুষ দেশকে শত্রুমুক্ত করার সংগ্রামে রত হন। পাক দখলদার বাহিনীর হাতেগোনা কিছু সহযোগী ছাড়া গোটা জাতিই প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসবিদরা তাই এ যুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে আখ্যায়িত করেন। যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়।