রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

অধ্যাপক অজয় রায় আর নেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বরেন্য অধ্যাপক ও ব্লগার অভিজিত রায়ের বাবা অজয় রায় আর নেই। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর শাহাবাগে অবস্থিত বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি ।

জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ২৫শে নভেম্বর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। ধীরে ধীরে শ্বাসকষ্ট বাড়লে তাকে কৃত্রিম শ্বাস দিয়ে রাখা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। চার বছর আগে জঙ্গিদের হাতে প্রাণ হারানো লেখক ব্লগার অভিজিৎ রায়ের বাবা অজয় রায় গত ২৮শে অক্টোবর আদালতে গিয়ে ছেলে হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

একুশে পদকপ্রাপ্ত পদার্থবিদ অজয় রায়ের দুটি গবেষণা নোবেল কমিটিতে আলোচিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অবসরে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির ইউজিসি অধ্যাপকও ছিলেন অজয় রায়। মুক্তিযোদ্ধা অজয় রায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল ভাষা আন্দোলন ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানেও।

২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি একুশের বইমেলা থেকে বেরিয়ে টিএসসি এলাকায় লেখক অভিজিৎ রায়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এতে তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাও গুরুতর আহত হন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

অধ্যাপক অজয় রায় আর নেই

প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বরেন্য অধ্যাপক ও ব্লগার অভিজিত রায়ের বাবা অজয় রায় আর নেই। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর শাহাবাগে অবস্থিত বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি ।

জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ২৫শে নভেম্বর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। ধীরে ধীরে শ্বাসকষ্ট বাড়লে তাকে কৃত্রিম শ্বাস দিয়ে রাখা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। চার বছর আগে জঙ্গিদের হাতে প্রাণ হারানো লেখক ব্লগার অভিজিৎ রায়ের বাবা অজয় রায় গত ২৮শে অক্টোবর আদালতে গিয়ে ছেলে হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

একুশে পদকপ্রাপ্ত পদার্থবিদ অজয় রায়ের দুটি গবেষণা নোবেল কমিটিতে আলোচিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অবসরে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির ইউজিসি অধ্যাপকও ছিলেন অজয় রায়। মুক্তিযোদ্ধা অজয় রায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল ভাষা আন্দোলন ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানেও।

২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি একুশের বইমেলা থেকে বেরিয়ে টিএসসি এলাকায় লেখক অভিজিৎ রায়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এতে তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাও গুরুতর আহত হন।