শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণায় সব সহযোগিতা দেবে ভারত

তানজীর মহসিন :=

বাংলাদেশের গণহত্যা জাদুঘর’, ‘গণহত্যা-নির্যাতন’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের’ জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ রবিবার খুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গণহত্যা আর্কাইভ ও জাদুঘর পরিদর্শনকালে এ আশ্বাস দেন। এ সময় তার সঙ্গে ভারতীয় একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।ভারতীয় হাইকমিশনার জাদুঘরের প্রতিটি কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং একাত্তরের গণহত্যার নিদর্শন দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

রীভা গাঙ্গুলি দাশ এত নিদর্শন থাকা সত্ত্বেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্বিচারে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কেন পাওয়া যায়নি তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন।দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর হিসেবে গণহত্যার নিদর্শন ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য তিনি গণহত্যা জাদুঘরের ট্রাস্টিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এর আগে ভারতীয় হাইকমিশনার জাদুঘরে পৌঁছালে গণহত্যা জাদুঘর ট্রাস্টের সভাপতি ড. মুনতাসীর মামুন তাকে স্বাগত জানান।গণহত্যা জাদুঘরের ট্রাস্টি ড. চৌধুরী শহীদ কাদের, ট্রাস্টি শংকর কুমার মল্লিকসহ জাদুঘর ও ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

বাংলাদেশ ও ভারত হচ্ছে অকৃত্রিম বন্ধু: ভারতীয় হাই কমিশনার

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণায় সব সহযোগিতা দেবে ভারত

প্রকাশের সময় : ০৯:৩১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৯
তানজীর মহসিন :=

বাংলাদেশের গণহত্যা জাদুঘর’, ‘গণহত্যা-নির্যাতন’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের’ জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ রবিবার খুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গণহত্যা আর্কাইভ ও জাদুঘর পরিদর্শনকালে এ আশ্বাস দেন। এ সময় তার সঙ্গে ভারতীয় একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।ভারতীয় হাইকমিশনার জাদুঘরের প্রতিটি কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং একাত্তরের গণহত্যার নিদর্শন দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

রীভা গাঙ্গুলি দাশ এত নিদর্শন থাকা সত্ত্বেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্বিচারে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কেন পাওয়া যায়নি তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন।দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর হিসেবে গণহত্যার নিদর্শন ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য তিনি গণহত্যা জাদুঘরের ট্রাস্টিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এর আগে ভারতীয় হাইকমিশনার জাদুঘরে পৌঁছালে গণহত্যা জাদুঘর ট্রাস্টের সভাপতি ড. মুনতাসীর মামুন তাকে স্বাগত জানান।গণহত্যা জাদুঘরের ট্রাস্টি ড. চৌধুরী শহীদ কাদের, ট্রাস্টি শংকর কুমার মল্লিকসহ জাদুঘর ও ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।