মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১৮ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নতুন বছরে পুলিশে ১০ হাজার লোক নিয়োগ

নুরুজ্জামান লিটন :=

পুলিশ বাহিনীর সার্বিক সক্ষমতা বাড়ানো ও আধুনিকায়নের জন্য ২০২০ সালের শুরুতেই (জানুয়ারি) পুলিশ বাহিনীতে প্রায় ১০ হাজার জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে সরকার।

এরিমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরের বিভিন্ন ইউনিটের জন্য সর্বমোট ১৩ হাজার ৬৪১টি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। বাকি পদ সৃষ্টির কার্যক্রম বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বা দপ্তরে প্রক্রিয়াধীন।

এ ছাড়া যুগোপযোগী তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ, উন্নত মানের অস্ত্র, গাড়িসহ লজিস্টিক সাপোর্ট, গোয়েন্দা তথ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত তদন্ত ব্যবস্থার প্রসার, ভবন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন এই প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত থাকবে। পুলিশ সদস্যদের জন্য উন্নত খাবার এবং পোশাক সরবরাহও রয়েছে এর আওতায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ ছাড়া খাদ্য ও পোশাক বিষয়ে বলা হয়, প্রাধিকারপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের জন্য কাপড়, বুট, জুতা, বেল্ট, রিফ্লেক্টিং ভেস্ট, রেইন কোটসহ সব ধরনের পোশাক সামগ্রীর গুণগত মান উন্নত করে যুগোপযোগী করা হয়েছে, যা পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রেশনিং প্রথার মাধ্যমে চাল, গম বা আটা, ডাল, তেল, চিনি সরবরাহ করে থাকে, যা পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সরকারি গুদামের যে চাল সরবরাহ করা হয়, তা অনেকাংশেই স্বাদহীন ও দুর্গন্ধযুক্ত থাকে। ফলে ওই চাল খাওয়া যায় না। পুলিশ বাহিনীর জন্য ওয়ারেন্টি প্রথা শিথিল না থাকায় ভালো মানের চাল খাদ্যগুদাম থেকে উত্তোলনের সুযোগ নেই। এ বিষয়ে একাধিকবার পত্রালাপ করা হলেও আশানুরূপ অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি। এই সুবিধা পাওয়া গেলে এবং রেশনিং প্রথা আরো উন্নত করা হলে পুলিশের সক্ষমতা আরো বাড়বে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

শুরু হচ্ছে দেশের প্রথম পাতাল রেলের নির্মাণকাজ

নতুন বছরে পুলিশে ১০ হাজার লোক নিয়োগ

প্রকাশের সময় : ০৮:০২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯
নুরুজ্জামান লিটন :=

পুলিশ বাহিনীর সার্বিক সক্ষমতা বাড়ানো ও আধুনিকায়নের জন্য ২০২০ সালের শুরুতেই (জানুয়ারি) পুলিশ বাহিনীতে প্রায় ১০ হাজার জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে সরকার।

এরিমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরের বিভিন্ন ইউনিটের জন্য সর্বমোট ১৩ হাজার ৬৪১টি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। বাকি পদ সৃষ্টির কার্যক্রম বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বা দপ্তরে প্রক্রিয়াধীন।

এ ছাড়া যুগোপযোগী তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ, উন্নত মানের অস্ত্র, গাড়িসহ লজিস্টিক সাপোর্ট, গোয়েন্দা তথ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত তদন্ত ব্যবস্থার প্রসার, ভবন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন এই প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত থাকবে। পুলিশ সদস্যদের জন্য উন্নত খাবার এবং পোশাক সরবরাহও রয়েছে এর আওতায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ ছাড়া খাদ্য ও পোশাক বিষয়ে বলা হয়, প্রাধিকারপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের জন্য কাপড়, বুট, জুতা, বেল্ট, রিফ্লেক্টিং ভেস্ট, রেইন কোটসহ সব ধরনের পোশাক সামগ্রীর গুণগত মান উন্নত করে যুগোপযোগী করা হয়েছে, যা পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রেশনিং প্রথার মাধ্যমে চাল, গম বা আটা, ডাল, তেল, চিনি সরবরাহ করে থাকে, যা পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সরকারি গুদামের যে চাল সরবরাহ করা হয়, তা অনেকাংশেই স্বাদহীন ও দুর্গন্ধযুক্ত থাকে। ফলে ওই চাল খাওয়া যায় না। পুলিশ বাহিনীর জন্য ওয়ারেন্টি প্রথা শিথিল না থাকায় ভালো মানের চাল খাদ্যগুদাম থেকে উত্তোলনের সুযোগ নেই। এ বিষয়ে একাধিকবার পত্রালাপ করা হলেও আশানুরূপ অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি। এই সুবিধা পাওয়া গেলে এবং রেশনিং প্রথা আরো উন্নত করা হলে পুলিশের সক্ষমতা আরো বাড়বে।