বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা শক্তি সঞ্চার করতো –যশোরে স্বপন ভট্টচার্য্য

যশোর ব্যুরো :=

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টচার্য্য বলেছেন, জয় বাংলা বাঙালির জাতীয় স্লোগান। মুক্তিযুদ্ধে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা শক্তি সঞ্চার করতো। জ্ঞানপাপীরা জয় বাংলা স্লোগানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। যারা জয় বাংলাকে মেনে নিতে পারেনি তারা সম্প্রদায়িক ও পাকিস্তানের প্রেতাত্মা। তারা কখনো বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির বন্ধু হতে পারে না। শনিবার (১ ফ্রেরুয়ারি) যশোর সরকারি মহিলা কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল উন্নত সুখি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়া। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে দেশ স্বাধীন করতে নেতৃত্ব দেন। দেশে ধ্বংসলীলা ও অরাজকতা সৃষ্টি করতে স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের প্রেতাত্মা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে ভূমিহীনরা ভূমি পাচ্ছে। দেশে ভিক্ষুক দেখা যায় না। বাংলাদেশ উন্নত সোনার বাংলার পথে ধাবিত হচ্ছে।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মিয়া আব্দুর রশিদ ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক হুমায়ুন কবির। অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক হোসনেয়ারা বেগম।
এ সময় ৫০ টি ইভেন্টে ১৫০ শিক্ষার্থীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

অবশেষে জল্পনা সত্যি! মা হচ্ছেন দীপিকা

মুক্তিযুদ্ধে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা শক্তি সঞ্চার করতো –যশোরে স্বপন ভট্টচার্য্য

প্রকাশের সময় : ০৯:৪০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০
যশোর ব্যুরো :=

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টচার্য্য বলেছেন, জয় বাংলা বাঙালির জাতীয় স্লোগান। মুক্তিযুদ্ধে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা শক্তি সঞ্চার করতো। জ্ঞানপাপীরা জয় বাংলা স্লোগানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। যারা জয় বাংলাকে মেনে নিতে পারেনি তারা সম্প্রদায়িক ও পাকিস্তানের প্রেতাত্মা। তারা কখনো বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির বন্ধু হতে পারে না। শনিবার (১ ফ্রেরুয়ারি) যশোর সরকারি মহিলা কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল উন্নত সুখি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়া। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে দেশ স্বাধীন করতে নেতৃত্ব দেন। দেশে ধ্বংসলীলা ও অরাজকতা সৃষ্টি করতে স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের প্রেতাত্মা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে ভূমিহীনরা ভূমি পাচ্ছে। দেশে ভিক্ষুক দেখা যায় না। বাংলাদেশ উন্নত সোনার বাংলার পথে ধাবিত হচ্ছে।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মিয়া আব্দুর রশিদ ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক হুমায়ুন কবির। অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক হোসনেয়ারা বেগম।
এ সময় ৫০ টি ইভেন্টে ১৫০ শিক্ষার্থীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।