মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে ইরান

আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান :=

ট্যাঙ্ক ও সাজোয়া যান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে অগ্রগামী শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে অন্যতম বলে নিজেদের দাবি করেছে ইরান।মঙ্গলবার তেহরানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাসেম তাকিযাদেহ এ দাবি করেন। খবর পার্সটুডের।

তিনি বলেন, ট্যাঙ্ক ও সাজোয়া যান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে অগ্রগামী শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে অন্যতম ইরান। সাজোয়া যান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ইরান বিভিন্ন ধরণের স্যাটেলাইট,ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রেও ব্যাপক সক্ষমতা অর্জন করেছে।লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির ক্ষেত্রে ইরানের অগ্রগতির প্রতি ইঙ্গিত করে উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশে নির্মিত ‘বভার-৩৭৩’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সামরিক ক্ষেত্রে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যগুলোর একটি। এই ব্যবস্থার পরিধি হচ্ছে ১২০ কিলোমিটার এবং এটি ২৭ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

‘ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে ইরান

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০
আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান :=

ট্যাঙ্ক ও সাজোয়া যান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে অগ্রগামী শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে অন্যতম বলে নিজেদের দাবি করেছে ইরান।মঙ্গলবার তেহরানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাসেম তাকিযাদেহ এ দাবি করেন। খবর পার্সটুডের।

তিনি বলেন, ট্যাঙ্ক ও সাজোয়া যান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে অগ্রগামী শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে অন্যতম ইরান। সাজোয়া যান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ইরান বিভিন্ন ধরণের স্যাটেলাইট,ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রেও ব্যাপক সক্ষমতা অর্জন করেছে।লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির ক্ষেত্রে ইরানের অগ্রগতির প্রতি ইঙ্গিত করে উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশে নির্মিত ‘বভার-৩৭৩’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সামরিক ক্ষেত্রে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যগুলোর একটি। এই ব্যবস্থার পরিধি হচ্ছে ১২০ কিলোমিটার এবং এটি ২৭ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।