শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যশোরের শার্শা উপজেলায় বেতনা নদীর উপর নির্মিত ৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ

নুরুজ্জামান লিটন :=
যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি ও গোড়পাড়া বাজারে বেতনা নদীর উপর অবৈধভাবে নির্মিত ৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার ভূূমি খোরশেদ আলম চৌধুরী।

বেতনা নদী অত্র এলাকার সেচ কাজ ও মৎস চাষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ডিসেম্বর ২০১৯ইং তারিখে বেতনা নদীর অবৈধভাবে দখলকারীদেরকে তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও দখলকারীদের সম্মতিক্রমে ১মাসের সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ২মাস অতিবাহিত হলেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয় নাই।

উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূূমি) খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, কৃষি ও মৎস চাষ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রার জন্য এইসব নদীর নাব্যতা ও পানি প্রবাহ রায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার সকালে বেতনা নদীর অবৈধ দখলকারীদের ৪০টি অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে বেতনা নদীর প্রায় ৫.৫ বিঘা জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, যশোরসহ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, সাইদুর রহমান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজন। অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

যশোরের শার্শা উপজেলায় বেতনা নদীর উপর নির্মিত ৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০
নুরুজ্জামান লিটন :=
যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি ও গোড়পাড়া বাজারে বেতনা নদীর উপর অবৈধভাবে নির্মিত ৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার ভূূমি খোরশেদ আলম চৌধুরী।

বেতনা নদী অত্র এলাকার সেচ কাজ ও মৎস চাষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গত ডিসেম্বর ২০১৯ইং তারিখে বেতনা নদীর অবৈধভাবে দখলকারীদেরকে তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও দখলকারীদের সম্মতিক্রমে ১মাসের সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ২মাস অতিবাহিত হলেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয় নাই।

উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূূমি) খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, কৃষি ও মৎস চাষ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রার জন্য এইসব নদীর নাব্যতা ও পানি প্রবাহ রায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার সকালে বেতনা নদীর অবৈধ দখলকারীদের ৪০টি অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে বেতনা নদীর প্রায় ৫.৫ বিঘা জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, যশোরসহ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, সাইদুর রহমান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজন। অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।