Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১বৃহস্পতিবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

সিএএর জেরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

Shahriar Hossain
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০ ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কোলকাতা ব্যুরো :=

কৌতূহলের বশে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরোধী এক বিক্ষোভের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার দায়ে পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি এক শিক্ষার্থীকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

বার্তা সংস্থা টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া জানায়, ২০১৮ সালে ওই শিক্ষার্থী বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে উচ্চতর শিক্ষার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন।গত বছরের ডিসেম্বরে ভারতের পার্লামেন্টে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) পাস হয়। এই আইনের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মিছিল করেন। মিছিলের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছিলেন বাংলাদেশি ওই শিক্ষার্থী।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা এক চিঠিতে তাকে ১৫ দিনের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী ভারতে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অবস্থান করছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ভিসা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছেন।২০ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী গত বুধবার চিঠিটি পান। চিঠি পাওয়ার পর ওই শিক্ষার্থী  নিজের শিক্ষাজীবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

এক প্রতিক্রিয়ায় টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়াকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘কী কারণে এই শাস্তি পেয়েছি তা আমি বুঝতে পারছি না। আমার কিছু বন্ধু সিএএ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল। আমি বিনা কৌতূহলে ছবিগুলো পোস্ট করেছি। ছবি পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ট্রল লক্ষ করি। পরে দ্রুত ফেসবুক আইডি ডিএক্টিভেট করি। আমি সত্যিই নির্দোষ।’

শিক্ষার্থীর এক বন্ধুর ভাষ্য, তিনি (শিক্ষার্থী) সিএএবিরোধী কোনো আন্দোলনে কখনো অংশ নেননি। শুধু কয়েকটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। তার পোস্টগুলো কয়েকজন ডানপন্থীর নজরে আসে। পরে তারা ট্রল করে এবং তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানায়। অন্তত ২৫০ জন তাকে ভারতবিরোধী বলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে বলেও জানান তার বন্ধু।

কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া জানায়, তারা ওই শিক্ষার্থীকে দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকারের নোটিশের বিষয়ে অবগত নয়। কিন্তু তিনি যে নজরদারিতে ছিলেন তা জানত তারা। ঢাকায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে অবগত ছিলেন। এ ধরনের ঘটনায় বেশি কিছু করার নেই বলে জানায় তারা।

এ ছাড়া বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক-কর্মকর্তা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, ‘আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি ওই শিক্ষার্থীকে। চিঠিতে ১৪ তারিখ উল্লেখ ছিল। অর্থাৎ তাকে সাক্ষাতের মেইল পাঠানোর সময়ই দেশত্যাগের চিঠি তৈরি ছিল।’

এদিকে বৃহস্পতিবার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে ওই শিক্ষার্থী কলকাতায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আঞ্চলিক রেজিস্ট্রেশন অফিসে যোগাযোগ করেন। তারা সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
 
%d bloggers like this: