Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১বৃহস্পতিবার , ৫ মার্চ ২০২০
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে খুনের ঘটনায় ঘাতক আটক,লাশের দাফন সম্পন্ন,মামলা দায়ের

Shahriar Hossain
মার্চ ৫, ২০২০ ৩:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগটিয়া আদর্শ গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কিশোর খুনের ঘাতক গোলাম কাদিরকে মঙ্গলবার রাতেই অভিযান চালিয়ে আটক করছে তাহিরপুর থানা পুলিশ। এদিকে নিহত শহীদ নূরের লাশের ময়না তদর্ন্তের পর পরিবারে কাছে হস্থান্তর করা হলে মঙ্গলবার রাতেই দাফন করা হয়। নিহতের ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে,বুধবার সকালে নিহতের বড় ভাই গোলাম নুর বাদী হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত আরো ৫-৬আসামী করে মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২,তারিখ-০৪,০৩,২০২০ইং। অন্যদিকে,একেই দিনে সকাল সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিপিএম ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন।

পুলিশ জানান,মঙ্গলবার সকালে গোলাম কাদির মিয়া চাচা নাসির উদ্দিনকে ডেকে নিয়ে কথাকাটা কাটির এক প্রর্যায়ে গোলাম কাদির মিয়া বোন পপি,গোলাম কাদিরসহ তারলোকজন বোজাং(ধারালো অস্ত্র)নিয়ে ৭-৮জন সহযোগীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত করে নাসির উদ্দিনকে। খবর পেয়ে নাসির উদ্দিনের ছেলে শহিদ নুর মিয়া গেলে থাকে কিরিজ দিয়ে পেটে আঘাত করলে লক্ষবষ্ট হয়ে পেটের নিছে কোমরে লাগে গুরুত্ব আহত হয়। ঘটনার পরপরই ঘাতক গোলাম কাদির গোলাম কাদির বাড়ি থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার ওসি মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টায় পাশ্ববর্তী জামালগঞ্জ উপজেলায় পালিয়ে যাওয়ার পথে উপজেলা সদরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন লক্ষ্মীপুর গ্রাম থেকে ঘাতক গোলাম কাদিরকে গ্রেফতার করে।

তাহিরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতিকুর রহমান জানান,আটক গোলাম কাদিরকে সকালে সুনামগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই মামলার অন্যান্য আসামীদের আটকে জন্য পলিশ সর্বোচ্ছ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
উল্লেখ্য,উপজেলার ঘাগটিয়া গ্রামের মৃত নবিকুল দুটি বিয়ে করেন পথম পক্ষের জুসনা বেগম তার একটি মেয়ে তাছলিমা আর দ্বিতীয় পক্ষ রাসেনা বেগম তার ছেলে গোলাম কাদির মিয়া। ৪-৫বছর পূর্বে নবিকুল মারা গেলে তাছলিমা পৈতিক সম্পত্তির ভাগ চায় ভাই কাদির মিয়া কাছে। এনিয়ে চাচা নাসির উদ্দিনকে জানায়। আর মৃত নবিকুলের ছোট ভাই নাসির উদ্দিন বাতিজি তাছলিমার পিতার অংশ দেওয়ায় কথা বলায় কারনে ভাতিজা গোলাম কাদির মিয়ার সাথে নাসির উদ্দিনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এছাড়াও তাদের মধ্যে জায়গা সংক্রান্ত মামলা মকদ্দমা রয়েছে। এরজের ধরেই মঙ্গলবার সকালে গোলাম কাদির মিয়া চাচা নাসির উদ্দিনকে ডেকে নিয়ে কথাকাটা কাটির এক প্রর্যায়ে গোলাম কাদির মিয়া বোন পপি,গোলাম কাদিরসহ তারলোকজন বোজাং(ধারালো অস্ত্র)নিয়ে ৭-৮জন সহযোগীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত করে নাসির উদ্দিনকে। খবর পেয়ে নাসির উদ্দিনের ছেলে শহিদ নুর মিয়া গেলে থাকে কিরিজ দিয়ে পেটে আঘাত করলে লক্ষবষ্ট হয়ে পেটের নিছে কোমরে লাগে গুরুত্ব আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগন শহীদ নুরকে মৃত ঘোষণা করেন। আর আহত নাসির উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রের্ফাড করা হয়।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
 
%d bloggers like this: