শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

৭০ ভাগ জার্মান করোনায় আক্রান্ত হবে: মার্কেল

আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান :=

জার্মানির জনসংখ্যার ৬০ থেকে ৭০ ভাগ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবে বলে জানিয়েছেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল। তবে দেশটি সীমান্ত বন্ধের পক্ষে নয় বলে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে জার্মানির সরকারের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলন করেছেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল। গবেষকদের উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, জার্মানির জনসংখ্যার ৭০ ভাগ পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায়, ছড়ানোর গতি কীভাবে কমানো যায় সেদিকেই তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। খবর ডয়চে ভেলের।

বার্লিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এই ভাইরাস ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা বা কার্যকর উপায় এখনও নেই। জনসংখ্যার ৬০ থেকে ৭০ ভাগ তাই (করোনাভাইরাসে) আক্রান্ত হবেন।’ এরমধ্যে জার্মানিতে ১৯৬৬ জনের দেহে এই রোগের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। যার মধ্যে তৃতীয়জন মারা গেছেন বুধবার। তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে পশ্চিমাঞ্চলের জেলা হাইন্সব্যার্গে।

মার্কেল এই পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্য বজায় রাখার আহবান জানিয়ে বলেছেন, ‘আমাদেরকে ঐক্য, বোধ-বুদ্ধি এবং আর ভালোবাসার পরীক্ষা দিতে হবে এবং আশা করি সেই পরীক্ষায় আমরা উত্তীর্ণ হব’। এসময় তিনি স্বাস্থ্য কর্মী এবং স্থানীয় প্রশাসনগুলোকে ভাইরাস প্রতিরোধে উদ্যোগ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি ইতালির নাগরিকদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন।প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা এবং অর্থনৈতিক অভিঘাত সামলাতে মার্কেল ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার উপরও জোর দেন।

ইতালিতে এরই মধ্যে বারো হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন৷ মারা গেছেন অন্তত ৮২৭ জন। এমন প্রেক্ষাপটে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সীমান্ত বন্ধে দাবি উঠছে। জার্মানির প্রতিবেশী অস্ট্রিয়া ইতালির নাগরিকদের সেখানে ঢুকতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এর পক্ষে নয় জার্মানি। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান জানিয়েছেন, সীমান্ত বন্ধ করে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকানো সম্ভব হবে না।এক হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত হতে পারে এমন আয়োজন বাতিল করার আহবান জানিয়েছেন স্পান। এই বিষয়ে জার্মানির ১৬টি রাজ্যের কর্তৃপক্ষ শিগগিরই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

ব্রায়ান লারার অপরাজিত ৪০০ রানের রেকর্ড, দু’দশক আজ

৭০ ভাগ জার্মান করোনায় আক্রান্ত হবে: মার্কেল

প্রকাশের সময় : ০৩:২৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২০
আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান :=

জার্মানির জনসংখ্যার ৬০ থেকে ৭০ ভাগ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবে বলে জানিয়েছেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল। তবে দেশটি সীমান্ত বন্ধের পক্ষে নয় বলে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ে জার্মানির সরকারের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলন করেছেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল। গবেষকদের উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, জার্মানির জনসংখ্যার ৭০ ভাগ পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায়, ছড়ানোর গতি কীভাবে কমানো যায় সেদিকেই তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। খবর ডয়চে ভেলের।

বার্লিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এই ভাইরাস ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা বা কার্যকর উপায় এখনও নেই। জনসংখ্যার ৬০ থেকে ৭০ ভাগ তাই (করোনাভাইরাসে) আক্রান্ত হবেন।’ এরমধ্যে জার্মানিতে ১৯৬৬ জনের দেহে এই রোগের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। যার মধ্যে তৃতীয়জন মারা গেছেন বুধবার। তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে পশ্চিমাঞ্চলের জেলা হাইন্সব্যার্গে।

মার্কেল এই পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্য বজায় রাখার আহবান জানিয়ে বলেছেন, ‘আমাদেরকে ঐক্য, বোধ-বুদ্ধি এবং আর ভালোবাসার পরীক্ষা দিতে হবে এবং আশা করি সেই পরীক্ষায় আমরা উত্তীর্ণ হব’। এসময় তিনি স্বাস্থ্য কর্মী এবং স্থানীয় প্রশাসনগুলোকে ভাইরাস প্রতিরোধে উদ্যোগ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি ইতালির নাগরিকদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন।প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা এবং অর্থনৈতিক অভিঘাত সামলাতে মার্কেল ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার উপরও জোর দেন।

ইতালিতে এরই মধ্যে বারো হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন৷ মারা গেছেন অন্তত ৮২৭ জন। এমন প্রেক্ষাপটে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সীমান্ত বন্ধে দাবি উঠছে। জার্মানির প্রতিবেশী অস্ট্রিয়া ইতালির নাগরিকদের সেখানে ঢুকতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এর পক্ষে নয় জার্মানি। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান জানিয়েছেন, সীমান্ত বন্ধ করে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকানো সম্ভব হবে না।এক হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত হতে পারে এমন আয়োজন বাতিল করার আহবান জানিয়েছেন স্পান। এই বিষয়ে জার্মানির ১৬টি রাজ্যের কর্তৃপক্ষ শিগগিরই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।