
মদের গুদামে হানা দিয়েছিল ১৪টি হাতি। কিন্তু তাদের মধ্যে দুটি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছিল। বাকি বারোটি হাতি যখন মদের গুদাম তছনছ করতে ব্যস্ত তখন দুই গজরাজ নিশ্চিন্তে মদ্যপান করে। ঢক ঢক করে সাবার করে দেয় ৩০ লিটার মদ। ব্যস, এর পরই শুরু হয় তাণ্ডব। দুই গজরাজ টালমাটাল অবস্থায় জঙ্গলের পথে পাড়ি দেয়। কিন্তু ততক্ষণে মদ্যপ অবস্থায় তাদের বেসামাল অবস্থা। রাস্তার ধারে একটি চা বাগানে ঢুকে পড়ে হাতিদের পাল। শুরু হয় তাণ্ডব। দুই গজরাজ এর পর একে অপরের সহায়ক হয়ে ওঠে। কিন্তু তাতেও রক্ষে হল না। দুজনেই চা বাগানে ঘুমিয়ে পড়ে। আর সেই ছবি ওঠে সিসিটিভি ফুটেজে।
দক্ষিণ পশ্চিম চিনের ইউনান প্রদেশের এক গ্রামের ঘটনা। ১৪টি হাতি খাবারের খোঁজে আচমকা হানা দিয়েছিল মদ প্রস্তুতকারক একটি বাড়িতে। সেখানে গম থেকে উত্পন্ন করা হচ্ছিল মদ। হাতিরা খাবার না পেয়ে গুদাম তছনছ করে দিয়ে যায়। কিন্তু ওই দুই গজরাজ ৩০ লিটার মদ পান করে ফেলে। দুই গজরাজের চা বাগানে শুয়ে থাকার ছবি তোলেন বিংবিং নামের এক ট্র্যাভেল ফটোগ্রাফার। দুই হাতির মাটিতে শুয়ে ঘুমের ফটো ভাইরাল হয়েছে। ৪০ হাজারের বেশি মানুষ সেই ছবিতে লাইক করেছেন এখনও পর্যন্ত। মেন্ধই গ্রামের প্রধান অবশ্য বলেছেন, ঘটনাটি গত বছর গ্রীষ্মকালের। কিন্তু এতদিন বাদে ছবিগুলি ভাইরাল হয়েছে। প্রধান জানিয়েছেন, ১৪টি হাতি গুদামে তাণ্ডব চালায়নি। শুধুমাত্র ওই দুটি হাতি সব লন্ডভন্ড করে দেয়। দিনের শেষে হাতিদের দল আবার ফিরে যায় জঙ্গলে। ওই দুই গজরাজ টাল সামলায় কোনওমতে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho