সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে চরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবায় সেনাবাহিনী

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। যার প্রাদুর্ভাব বর্তমানে বাংলাদেশেও বেশ দেখা দিয়েছে। দেশে এ পর্যন্ত মারাও গেছে কয়েকজন। তাই করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতার ধারাবাহিকতায় লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলার ৬৩ চরাঞ্চলে কাজ করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।  তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের অসহায় গরীব মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে সেনাবাহিনীর মেডিকেল ক্যাম্প।এর আগেও কযেকদিন সেনাবাহিনীর টিম চরাঞ্চলের মানুষকে সচেতন করার জন্য প্রচারণা চালিয়েছেন, দিয়েছেন চিকিৎসা সেবাও। একই সঙ্গে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রচারণা ও জনসাধারণের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন তারা।

তিস্তা চরাঞ্চলের পাশাপাশি জেলার ধরলা নদী বেষ্টিত চরের বেশ কয়েকটি গ্রামের শতাধিক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। একইসঙ্গে চরাঞ্চলের অসহায় গরীব মানুষদের প্রাথমিকভাবে মৌসুমি রোগ জ্বর, কাশি, ঠাণ্ডাজনিত রোগের ওষুধ বিনামূল্যে দিয়েছেন তারা। এ চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছেন রংপুর ৩৪ ইস্ট বেঙ্গল সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেজর কাওসার।চরাঞ্চলের অসহায় গরীব মানুষরা বলেন, লোকমুখে করোনা ভাইরাসের কথা শুনেছি। আসলে করোনাভাইরাস কী, এ বিষয় আমাদের কোন ধারণা ছিল না। দিনভর সেনা সদস্যদের প্রচারণায় অনেকটা ধারণা পেয়েছি।রংপুর ৩৪ ইস্ট বেঙ্গল সেনাবাহিনীর (সিএমএইচ) চিকিৎসক ডা. মেজর কাওসার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চরাঞ্চলের অসহায় গরীব মানুষরা যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেই প্রত্যেকের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিনামূল্যে ওষুধসহ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। এই দূর্যোগ সময়ে চরাঞ্চলের মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থাকবে।সদরের ধরলা বেষ্টিত ইউনিয়ন কুলাঘাটের ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চরের মানুষগুলোর অধিকাংশই নিরক্ষর, করোনা সম্পর্কে তাদের ছিল না তেমন কোন ধারণা। সেনাবাহিনীর তৎপরতায় চরের মানুষ এখন করোনা সম্পর্কে ধারনা পাচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

লালমনিরহাটে চরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবায় সেনাবাহিনী

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২০
লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। যার প্রাদুর্ভাব বর্তমানে বাংলাদেশেও বেশ দেখা দিয়েছে। দেশে এ পর্যন্ত মারাও গেছে কয়েকজন। তাই করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতার ধারাবাহিকতায় লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলার ৬৩ চরাঞ্চলে কাজ করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।  তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের অসহায় গরীব মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে সেনাবাহিনীর মেডিকেল ক্যাম্প।এর আগেও কযেকদিন সেনাবাহিনীর টিম চরাঞ্চলের মানুষকে সচেতন করার জন্য প্রচারণা চালিয়েছেন, দিয়েছেন চিকিৎসা সেবাও। একই সঙ্গে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রচারণা ও জনসাধারণের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন তারা।

তিস্তা চরাঞ্চলের পাশাপাশি জেলার ধরলা নদী বেষ্টিত চরের বেশ কয়েকটি গ্রামের শতাধিক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। একইসঙ্গে চরাঞ্চলের অসহায় গরীব মানুষদের প্রাথমিকভাবে মৌসুমি রোগ জ্বর, কাশি, ঠাণ্ডাজনিত রোগের ওষুধ বিনামূল্যে দিয়েছেন তারা। এ চিকিৎসায় সহযোগিতা করেছেন রংপুর ৩৪ ইস্ট বেঙ্গল সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেজর কাওসার।চরাঞ্চলের অসহায় গরীব মানুষরা বলেন, লোকমুখে করোনা ভাইরাসের কথা শুনেছি। আসলে করোনাভাইরাস কী, এ বিষয় আমাদের কোন ধারণা ছিল না। দিনভর সেনা সদস্যদের প্রচারণায় অনেকটা ধারণা পেয়েছি।রংপুর ৩৪ ইস্ট বেঙ্গল সেনাবাহিনীর (সিএমএইচ) চিকিৎসক ডা. মেজর কাওসার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চরাঞ্চলের অসহায় গরীব মানুষরা যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেই প্রত্যেকের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিনামূল্যে ওষুধসহ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। এই দূর্যোগ সময়ে চরাঞ্চলের মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থাকবে।সদরের ধরলা বেষ্টিত ইউনিয়ন কুলাঘাটের ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চরের মানুষগুলোর অধিকাংশই নিরক্ষর, করোনা সম্পর্কে তাদের ছিল না তেমন কোন ধারণা। সেনাবাহিনীর তৎপরতায় চরের মানুষ এখন করোনা সম্পর্কে ধারনা পাচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার।