বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

করোনার ত্রান নিয়েও কাস্টমস কমিশনারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র : এটা কিসের আলামত ?

মাহবুবুল আলম টুটুল :==

কিছু মানুষ চোখ থাকতেও অন্ধ! এদের কেউ শিক্ষিতও। দু:খজনক!একটু এগিয়ে খোঁজ নিলেই সত্য জানতে পারে। ঘরে বসে গল্প বানাবে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে পাঁচ বছর চাকরিকালে এমন অন্ধদের দেখিনি। বেনাপোলে এসংখ্যা ভীতিকর। ইতিবাচকতা কর্মপ্রবণতা এদের স্বভাববিরুদ্ধ। এদের দমিয়েই বেনাপোলে গত আড়াইবছর সংস্কার পরিবর্তন হয়েছে।

২রা এপ্রিল দান অনুদানের কোন প্রোগ্রাম ছিল না। তবু যারা গুজব রটিয়ে শতশত ত্রাণপ্রার্থী কাস্টম হাউসের ফটকে জড়ো করেছে, পরে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে খবর ছেপেছে ও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এটা ব্যক্তিগত অনুদান ছিল। কাকে দেয়া হবে কাকে হবেনা, এটা দাতার সিদ্ধান্ত।

আমাদের গত আড়াই বছরের দিনরাত পরিশ্রমের ফসল আজকের পরিবর্তিত বেনাপোল বন্দর! একে কোন সুযোগসন্ধানী লোভীর উদ্দেশ্য হাসিলের নিয়ামক হতে দেয়া হবে না!!

সনদ থাকলেই স্বশিক্ষিত হয়না

এই মহাদুর্যোগেও আমাদের মন একটু তরল হয়না। দুস্থদের ত্রাণ নিয়ে গাত্রোদাহ, প্রতিহিংসা! স্বার্থপরতারও সীমা থাকা উচিত! এদের সারাক্ষণ একটাই হিসাব, “ওকে দিল কেন? আমি পাইনি কেন?” এরা তথাকথিত শিক্ষিত বর্ণচোরা মিসকিন। এসব সনদধারী কুপমুন্ডুক কুটনীতিকদের ষড়যন্ত্র, প্রতিহিংসা উপেক্ষা করে কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশে আমরা গত আড়াই বছর কাজ করে গেছি। একা স্বশিক্ষিত হয়নি। আমরা এদের চিনি!

গত ২৩মার্চ কমিশনার মহোদয়ের “করোনা তহবিল” গঠনের ২৪মার্চ থেকে আমরা দৈনিক আয়ের কর্মচারী ও পরিবারের তালিকা তৈরি করছিলাম। বিশ্বস্ত ও নিজস্ব সোর্স থেকে নাম নিয়েছি। ১এপ্রিল সামাজিক নিরাপত্তা মেনে সুশৃংখলভাবে তালিকানুযায়ী সবার হাতে পৌঁছেছি। বিতরণ কার্যক্রম বিকেলেই শেষ।

পরদিন সকালে কাস্টম হাউসের গেটের সামনে শতশত ত্রাণপ্রার্থীর হট্টগোল।
পরে জানলাম কে বা কারা শার্শা, বেনাপোলে গুজব রটিয়ে দিয়েছে, কাস্টম হাউস থেকে সকালে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। সারা এলাকার ছিন্নমুল, ফকির ও পথশিশুরা প্রায় কয়েকশ লোক ভীড় করে। যদিও সেদিন বা পরে কোন ত্রাণ বা সাহায্য বিতরণের পরিকল্পনা ছিলনা। পরে পুলিশ এনে সম্মানজনকভাবে আমরা ওদের সামাল দেই।

এসব সুযোগসন্ধানী ছিদ্রান্বেষী বেনাপোলীয় স্বার্থপরগুলোই হট্টগোলের ছবি তুলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফেসবুকে কমিশনার স্যার ও কাস্টম হাউসের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও অপপ্রচারে নেমেছে।

ওদের জানা উচিত:
– এ তহবিল কমিশনার স্যার ও আমাদের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত বেতনের অনুদান থেকে গঠিত।
– আমাদের ব্যক্তিগত টাকা আমরা কাকে দান করবো, এ এখতিয়ার কমিশনার স্যারের তথা কাস্টম হাউসের
– স্যার বলেছেন, যারা নিজের দুরবস্থা বলতে পারেন না, গোপনে খবর নিয়ে সেসব সিপাই, মালি, পিয়ন, কর্মচারীদের সাহায্য দেয়ার জন্য।
– এ সাহায্য সাধারণ ত্রাণপ্রার্থীর জন্য ছিল না, বা বর্ণচোরা মিসকিনের জন্য নয়
– আমরা বন্দরকেন্দ্রিক দৈনিক আয়ের দরিদ্র কর্মচারীদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করেছি। কোন ধান্দাবাজ চাঁদাবাজের জন্য নয়!
– সমগ্র কার্যক্রম তালিকা করে কমিটির মাধ্যমে দেশের আইন মেনে স্বচ্ছতার সাথে করা হয়েছে।

সাবধান!
❗️আমরা এসব ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করেছি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে
❗️কোন অপশক্তি সীমান্ত বাণিজ্যর স্বার্থে গৃহীত কর্মকান্ড ব্যাহত করতে পারবে না
❗️বাণিজ্য ও সংস্থাকেন্দ্রিক কোন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিতে হলে সেটি সত্য ও তথ্যনির্ভর যাচাইকৃত হতে হবে
❗️ভালো কাজ ব্যহত করার অপচেষ্টা কঠোর মনোভাবে নিয়ে দেখা হবে

বেনাপোলের সম্মান, ঐতিহ্য তৈরি ও রক্ষায় আমরা মাঠে আছি। সবার সহযোগিতা কামনা করি। সমগ্র বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

করোনার ত্রান নিয়েও কাস্টমস কমিশনারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র : এটা কিসের আলামত ?

প্রকাশের সময় : ১০:২১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০
মাহবুবুল আলম টুটুল :==

কিছু মানুষ চোখ থাকতেও অন্ধ! এদের কেউ শিক্ষিতও। দু:খজনক!একটু এগিয়ে খোঁজ নিলেই সত্য জানতে পারে। ঘরে বসে গল্প বানাবে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে পাঁচ বছর চাকরিকালে এমন অন্ধদের দেখিনি। বেনাপোলে এসংখ্যা ভীতিকর। ইতিবাচকতা কর্মপ্রবণতা এদের স্বভাববিরুদ্ধ। এদের দমিয়েই বেনাপোলে গত আড়াইবছর সংস্কার পরিবর্তন হয়েছে।

২রা এপ্রিল দান অনুদানের কোন প্রোগ্রাম ছিল না। তবু যারা গুজব রটিয়ে শতশত ত্রাণপ্রার্থী কাস্টম হাউসের ফটকে জড়ো করেছে, পরে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে খবর ছেপেছে ও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এটা ব্যক্তিগত অনুদান ছিল। কাকে দেয়া হবে কাকে হবেনা, এটা দাতার সিদ্ধান্ত।

আমাদের গত আড়াই বছরের দিনরাত পরিশ্রমের ফসল আজকের পরিবর্তিত বেনাপোল বন্দর! একে কোন সুযোগসন্ধানী লোভীর উদ্দেশ্য হাসিলের নিয়ামক হতে দেয়া হবে না!!

সনদ থাকলেই স্বশিক্ষিত হয়না

এই মহাদুর্যোগেও আমাদের মন একটু তরল হয়না। দুস্থদের ত্রাণ নিয়ে গাত্রোদাহ, প্রতিহিংসা! স্বার্থপরতারও সীমা থাকা উচিত! এদের সারাক্ষণ একটাই হিসাব, “ওকে দিল কেন? আমি পাইনি কেন?” এরা তথাকথিত শিক্ষিত বর্ণচোরা মিসকিন। এসব সনদধারী কুপমুন্ডুক কুটনীতিকদের ষড়যন্ত্র, প্রতিহিংসা উপেক্ষা করে কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশে আমরা গত আড়াই বছর কাজ করে গেছি। একা স্বশিক্ষিত হয়নি। আমরা এদের চিনি!

গত ২৩মার্চ কমিশনার মহোদয়ের “করোনা তহবিল” গঠনের ২৪মার্চ থেকে আমরা দৈনিক আয়ের কর্মচারী ও পরিবারের তালিকা তৈরি করছিলাম। বিশ্বস্ত ও নিজস্ব সোর্স থেকে নাম নিয়েছি। ১এপ্রিল সামাজিক নিরাপত্তা মেনে সুশৃংখলভাবে তালিকানুযায়ী সবার হাতে পৌঁছেছি। বিতরণ কার্যক্রম বিকেলেই শেষ।

পরদিন সকালে কাস্টম হাউসের গেটের সামনে শতশত ত্রাণপ্রার্থীর হট্টগোল।
পরে জানলাম কে বা কারা শার্শা, বেনাপোলে গুজব রটিয়ে দিয়েছে, কাস্টম হাউস থেকে সকালে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। সারা এলাকার ছিন্নমুল, ফকির ও পথশিশুরা প্রায় কয়েকশ লোক ভীড় করে। যদিও সেদিন বা পরে কোন ত্রাণ বা সাহায্য বিতরণের পরিকল্পনা ছিলনা। পরে পুলিশ এনে সম্মানজনকভাবে আমরা ওদের সামাল দেই।

এসব সুযোগসন্ধানী ছিদ্রান্বেষী বেনাপোলীয় স্বার্থপরগুলোই হট্টগোলের ছবি তুলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফেসবুকে কমিশনার স্যার ও কাস্টম হাউসের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও অপপ্রচারে নেমেছে।

ওদের জানা উচিত:
– এ তহবিল কমিশনার স্যার ও আমাদের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত বেতনের অনুদান থেকে গঠিত।
– আমাদের ব্যক্তিগত টাকা আমরা কাকে দান করবো, এ এখতিয়ার কমিশনার স্যারের তথা কাস্টম হাউসের
– স্যার বলেছেন, যারা নিজের দুরবস্থা বলতে পারেন না, গোপনে খবর নিয়ে সেসব সিপাই, মালি, পিয়ন, কর্মচারীদের সাহায্য দেয়ার জন্য।
– এ সাহায্য সাধারণ ত্রাণপ্রার্থীর জন্য ছিল না, বা বর্ণচোরা মিসকিনের জন্য নয়
– আমরা বন্দরকেন্দ্রিক দৈনিক আয়ের দরিদ্র কর্মচারীদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করেছি। কোন ধান্দাবাজ চাঁদাবাজের জন্য নয়!
– সমগ্র কার্যক্রম তালিকা করে কমিটির মাধ্যমে দেশের আইন মেনে স্বচ্ছতার সাথে করা হয়েছে।

সাবধান!
❗️আমরা এসব ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করেছি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে
❗️কোন অপশক্তি সীমান্ত বাণিজ্যর স্বার্থে গৃহীত কর্মকান্ড ব্যাহত করতে পারবে না
❗️বাণিজ্য ও সংস্থাকেন্দ্রিক কোন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিতে হলে সেটি সত্য ও তথ্যনির্ভর যাচাইকৃত হতে হবে
❗️ভালো কাজ ব্যহত করার অপচেষ্টা কঠোর মনোভাবে নিয়ে দেখা হবে

বেনাপোলের সম্মান, ঐতিহ্য তৈরি ও রক্ষায় আমরা মাঠে আছি। সবার সহযোগিতা কামনা করি। সমগ্র বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন।