শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

‘হার্টের অস্ত্রোপচারে শয্যাশায়ী’উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন

This picture taken on April 11, 2020 and released from North Korea's official Korean Central News Agency (KCNA) on April 12, 2020 shows North Korean leader Kim Jong Un speaks during a meeting of the Political Bureau of the Central Committee of the Workers' Party of Korea (WPK) in pyongyang. (Photo by STR / KCNA VIA KNS / AFP) / South Korea OUT / ---EDITORS NOTE--- RESTRICTED TO EDITORIAL USE - MANDATORY CREDIT "AFP PHOTO/KCNA VIA KNS" - NO MARKETING NO ADVERTISING CAMPAIGNS - DISTRIBUTED AS A SERVICE TO CLIENTS / THIS PICTURE WAS MADE AVAILABLE BY A THIRD PARTY. AFP CAN NOT INDEPENDENTLY VERIFY THE AUTHENTICITY, LOCATION, DATE AND CONTENT OF THIS IMAGE --- /

মো: ইদ্রিস আলী।। 

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন হার্টে অস্ত্রোপচার জনিত কারণে শয্যাশায়ী আছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।গত ১৫ এপ্রিল ছিল উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিমের দাদার কিম সাঙের জন্মবার্ষিকী। দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতির পর থেকেই কিমের অসুস্থতা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়।

উত্তর কোরিয়া বর্জনকারীদের দ্বারা পরিচালিত দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল ডেইলি এনকে’র রিপোর্ট, চলতি মাসের শুরুতে কিমের হার্টে অস্ত্রোপচার হয়েছে। উত্তর পিয়ংইয়ং প্রদেশে একটি বাড়িতে চিকিৎসা চলছে তার।

উত্তর কোরিয়ার ভেতরকার অজ্ঞাত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এনকে জানিয়েছে, মাত্রাতিরিক্ত ধূমপান, স্থূলতা, বিষণ্নতার কারণে হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন কিম। অস্ত্রোপচার জরুরি ছিল তার।তবে এ ব্যাপারে উত্তর কোরিয়া সরকারের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে এএফপি। কিমের হার্টে অস্ত্রোপচার নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে বিবিসি, সিএনএন, নিউইয়র্ক টাইমস, গার্ডিয়ানসহ পশ্চিমা প্রভাবশালী প্রায় সব সংবাদমাধ্যম।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, ওয়াশিংটন বিষয়টিতে নজর রাখছে। একটি গোপন সূত্রে তারা নাকি জানতে পেরেছে ‘অস্ত্রোপচারের পর থেকে মৃত্যুভয়ে আছেন কিম’। কিন্তু সূত্রটি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তারা।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভবন ব্লু হাউসের এক মুখপাত্র বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত নয়। এ নিয়ে বিশেষ কোনো তৎপরতাও চালায়নি তারা।

কিমের অসুস্থতা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের তথ্যসূত্র নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক সরকারি কর্মকর্তা। তাদের মতে, বাইরের দেশ থেকে অন্য একটি দেশের ভেতরকার ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ খুবই কঠিন। বিশেষ করে উত্তর কোরিয়ার মতো দেশের নেতাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ প্রায় অসম্ভব।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা এএফপিকে বলেন, কিমের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনো কিছুই তিনি শোনেনি।উত্তর কোরিয়ার নেতা কিমকে নিয়ে সবশেষ দেশটির সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছিল ১২ এপ্রিল।এর আগেও বেশ কয়েকবার কিমের স্বাস্থ্য নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছিল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

ব্রায়ান লারার অপরাজিত ৪০০ রানের রেকর্ড, দু’দশক আজ

‘হার্টের অস্ত্রোপচারে শয্যাশায়ী’উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন

প্রকাশের সময় : ০২:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

মো: ইদ্রিস আলী।। 

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন হার্টে অস্ত্রোপচার জনিত কারণে শয্যাশায়ী আছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।গত ১৫ এপ্রিল ছিল উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিমের দাদার কিম সাঙের জন্মবার্ষিকী। দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতির পর থেকেই কিমের অসুস্থতা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়।

উত্তর কোরিয়া বর্জনকারীদের দ্বারা পরিচালিত দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল ডেইলি এনকে’র রিপোর্ট, চলতি মাসের শুরুতে কিমের হার্টে অস্ত্রোপচার হয়েছে। উত্তর পিয়ংইয়ং প্রদেশে একটি বাড়িতে চিকিৎসা চলছে তার।

উত্তর কোরিয়ার ভেতরকার অজ্ঞাত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এনকে জানিয়েছে, মাত্রাতিরিক্ত ধূমপান, স্থূলতা, বিষণ্নতার কারণে হার্টের জটিলতায় ভুগছিলেন কিম। অস্ত্রোপচার জরুরি ছিল তার।তবে এ ব্যাপারে উত্তর কোরিয়া সরকারের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে এএফপি। কিমের হার্টে অস্ত্রোপচার নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে বিবিসি, সিএনএন, নিউইয়র্ক টাইমস, গার্ডিয়ানসহ পশ্চিমা প্রভাবশালী প্রায় সব সংবাদমাধ্যম।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, ওয়াশিংটন বিষয়টিতে নজর রাখছে। একটি গোপন সূত্রে তারা নাকি জানতে পেরেছে ‘অস্ত্রোপচারের পর থেকে মৃত্যুভয়ে আছেন কিম’। কিন্তু সূত্রটি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তারা।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ভবন ব্লু হাউসের এক মুখপাত্র বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত নয়। এ নিয়ে বিশেষ কোনো তৎপরতাও চালায়নি তারা।

কিমের অসুস্থতা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের তথ্যসূত্র নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক সরকারি কর্মকর্তা। তাদের মতে, বাইরের দেশ থেকে অন্য একটি দেশের ভেতরকার ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ খুবই কঠিন। বিশেষ করে উত্তর কোরিয়ার মতো দেশের নেতাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ প্রায় অসম্ভব।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা এএফপিকে বলেন, কিমের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনো কিছুই তিনি শোনেনি।উত্তর কোরিয়ার নেতা কিমকে নিয়ে সবশেষ দেশটির সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছিল ১২ এপ্রিল।এর আগেও বেশ কয়েকবার কিমের স্বাস্থ্য নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছিল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।