মামুন বাবু ।।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিছু মানুষের ‘চোখ ওঠার’ প্রমাণ পাওয়ার পর আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসের এক নারীর পায়ের আঙুল ‘নীল হওয়ার’ কথা জানিয়েছেন দেশটির চিকিৎসকেরা।আঙুল নীল হতে শুরু করলে জেসিকা নামের ওই নারী ডাক্তারের কাছে যান। পরে পরীক্ষার পর তার কভিড-১৯ ধরা পড়ে।
এবিসি৭’র সঙ্গে আলাপকালে জেসিকা বলেন, ‘বিষয়টি খুব যন্ত্রণাদায়ক।’‘গোসলের সময় পায়ে তাকিয়ে দেখি আঙুল নীল হয়ে গেছে। মনে হচ্ছিল ফোসকা পড়েছে।’জেসিকা হাত দিয়ে পায়ের পাতায় আঁচড় কাটতে গেলে রক্তনালী ফেটে যেতে শুরু করে। পরে চর্মরোগবিশেষজ্ঞ ডা. শিরলে চিয়ের শরণাপন্ন হন।
এমন রোগী পেয়ে চি নিজেও অবাক হন, ‘রহস্যময় র্যাশ দেখে প্রথম কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। সময়টা যেহেতু করোনাভাইরাসের তাই ত্বকের বিষয়ে খোঁজ-খবর রাখছিলাম। ইতালির উত্তরাঞ্চলের একটি হাসপাতালে ১৪৮ জন করোনা রোগীর প্রতি পাঁচজনের একজনের র্যাশ ওঠার প্রমাণ আছে।’চি সেই অভিজ্ঞতা থেকে জেসিকাকে কভিড-১৯ পরীক্ষা করতে পরামর্শ দেন।
মার্কিন চর্মতত্ত্ব বিভাগ বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে। কভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হলে চামড়ায় কী ধরনের র্যাশ দেখা দিতে পার সে বিষয়ে একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করেছে তারা।
গাইডলাইনে বলা হয়েছে, অনেক সময় বরফ স্পর্শ করলে চামড়ায় যে ধরনের পরিবর্তন আসে, কভিড-১৯’র কারণেও সেটি হতে পারে।আমেরিকার চর্মতত্ত্ব বিভাগের জার্নালে বিষয়টি নিয়ে চিকিৎসক এবং সাধারণ মানুষকে এভাবে সতর্ক করা হয়েছে, ‘কভিড-১৯ রোগী অনেক সময় চামড়ার র্যাশ নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসতে পারেন। অন্য সাধারণ রোগের মতো এর ট্রিটমেন্ট করা ভুল হবে। চিকিৎসকদের তাই সতর্ক হয়ে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা উচিত।’
করোনাভাইরাস মূলত ফুসফুসে আক্রমণ করে। সাধারণত জ্বরের সঙ্গে শুকনা কাশি দিয়ে শুরু হয়। জ্বর ও কাশির এক সপ্তাহের মাথায় শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয়। তখন রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণ প্রকাশ পেতে ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এটাকে ‘ইনকিউবেশন’ পিরিয়ড বলা হয়। অর্থাৎ রোগীর লক্ষণ প্রকাশের আগে এই ভাইরাস ব্যক্তির শরীরে এ সময় পর্যন্ত সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে।
তবে কিছু গবেষকের মতে, ইনকিউবেশন পিরিয়ড ২৪ দিন পর্যন্তও হতে পারে।আবার চীনের অনেক বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, লক্ষণ প্রকাশের আগেও অনেকে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন!
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho