সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রমজান উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ

প্রফেসর জিন্নাত আলী ।। 

সময়ের সঙ্গেই শক্তিশালী হচ্ছে করোনা ভাইরাস। চীনের উহান থেকে যখন ছড়িয়ে পড়েছে তখন থেকেই এনিয়ে কাজ করছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডাব্লিউএইচও। জাতিসংঘের বিশেষ এই সংস্থা নিয়েছে নানা পদক্ষেপ।

আসছে ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে তৃতীয় স্বম্ভ রোজা। ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের সবচেয়ে পবিত্রতম মাসটি নিয়ে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সংস্থাটি। বিশ্বজুরে বিধি-নিষেধের মধ্যে মুসলামনদের এই পবিত্র মাসকে ঘিরে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)।

রমজানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ :
>> মসজিদে নামাজ আদায় করার সময় কমপক্ষে ১ মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
>> কোলাকুলি করা, গায়ের ওপর হাত দিয়ে ডাকা, শরীরের ওপর হাত রাখা-এসব অভ্যাস ত্যাগ করুন।
>> রমজানে দোকানে বা বাজারে একসাথে অনেক মানুষ জমায়েত বন্ধ করুন।
>> অসুস্থ মানুষ এবং করোনার সামান্যতম লক্ষণ আছে তাদের বাসায় থাকতে বলুন। সেই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন।
>> প্রবীণ এবং অসুস্থদের সমাবেশে অংশ নিতে নিষেধ করুন।

রমজানে সমাবেশ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ :
>> বাইরের যেকোনো সমাবেশ পরিত্যাগ করতে হবে এবং একান্ত প্রয়োজন হলে বাড়ির ভিতর খোলামেলা জায়গায় ব্যবস্থা করতে হবে।
>> সমাবেশের সময়সীমা যতটা সম্ভব কম করুন।
>> বড় বড় সমাবেশে যোগ দেওয়ার চেয়ে কম অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ছোট সমাবেশের আয়োজন করুন।
>> দাঁড়িয়ে থাকার সময়, নামাজ পড়ার সময়, ওযু করার সময় এবং জুতা সংরক্ষণের স্থানেও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন।
>> মসজিদে প্রবেশ এবং বের হওয়ার মুহূর্তে সব সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
>> সমাবেশের মধ্যে যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় তবে তার ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হবে।
>> মসজিদের প্রবেশ দ্বারে এবং ভিতরে হ্যান্ড ওয়াশ ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সঙ্গে অ্যালকোহল সমৃদ্ধ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
>> পর্যাপ্ত পরিমাণে টিস্যু থাকতে হবে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।
>> মসজিদে কারপেটের উপরে ব্যবহারে জন্য ব্যক্তিগত জায়নামাজ ব্যবহারের বিষয়ে সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে।
>> কোভিড-১৯ সম্পর্কে জনসচেতনমূলক বার্তাগুলোকে ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লেতে দেখাতে হবে।
>> জীবাণুনাশক ও ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে নামাজের আগে পরে মসজিদ পরিষ্কার রাখতে হবে।
>> মসজিদের প্রাঙ্গন, ওযুখানা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
>> কিছুক্ষণ পর পর দরজা, লাইটের সুইচ, সিড়ির রেলিং পরিষ্কার করতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

বিএনপির নেতাকর্মীদের কারাগারে প্রেরণ সরকারের প্রধান কর্মসূচি -মির্জা ফখরুল

রমজান উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

প্রফেসর জিন্নাত আলী ।। 

সময়ের সঙ্গেই শক্তিশালী হচ্ছে করোনা ভাইরাস। চীনের উহান থেকে যখন ছড়িয়ে পড়েছে তখন থেকেই এনিয়ে কাজ করছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডাব্লিউএইচও। জাতিসংঘের বিশেষ এই সংস্থা নিয়েছে নানা পদক্ষেপ।

আসছে ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে তৃতীয় স্বম্ভ রোজা। ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের সবচেয়ে পবিত্রতম মাসটি নিয়ে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সংস্থাটি। বিশ্বজুরে বিধি-নিষেধের মধ্যে মুসলামনদের এই পবিত্র মাসকে ঘিরে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)।

রমজানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ :
>> মসজিদে নামাজ আদায় করার সময় কমপক্ষে ১ মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
>> কোলাকুলি করা, গায়ের ওপর হাত দিয়ে ডাকা, শরীরের ওপর হাত রাখা-এসব অভ্যাস ত্যাগ করুন।
>> রমজানে দোকানে বা বাজারে একসাথে অনেক মানুষ জমায়েত বন্ধ করুন।
>> অসুস্থ মানুষ এবং করোনার সামান্যতম লক্ষণ আছে তাদের বাসায় থাকতে বলুন। সেই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন।
>> প্রবীণ এবং অসুস্থদের সমাবেশে অংশ নিতে নিষেধ করুন।

রমজানে সমাবেশ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ :
>> বাইরের যেকোনো সমাবেশ পরিত্যাগ করতে হবে এবং একান্ত প্রয়োজন হলে বাড়ির ভিতর খোলামেলা জায়গায় ব্যবস্থা করতে হবে।
>> সমাবেশের সময়সীমা যতটা সম্ভব কম করুন।
>> বড় বড় সমাবেশে যোগ দেওয়ার চেয়ে কম অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ছোট সমাবেশের আয়োজন করুন।
>> দাঁড়িয়ে থাকার সময়, নামাজ পড়ার সময়, ওযু করার সময় এবং জুতা সংরক্ষণের স্থানেও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন।
>> মসজিদে প্রবেশ এবং বের হওয়ার মুহূর্তে সব সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
>> সমাবেশের মধ্যে যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা যায় তবে তার ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হবে।
>> মসজিদের প্রবেশ দ্বারে এবং ভিতরে হ্যান্ড ওয়াশ ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সঙ্গে অ্যালকোহল সমৃদ্ধ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
>> পর্যাপ্ত পরিমাণে টিস্যু থাকতে হবে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।
>> মসজিদে কারপেটের উপরে ব্যবহারে জন্য ব্যক্তিগত জায়নামাজ ব্যবহারের বিষয়ে সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে।
>> কোভিড-১৯ সম্পর্কে জনসচেতনমূলক বার্তাগুলোকে ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লেতে দেখাতে হবে।
>> জীবাণুনাশক ও ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে নামাজের আগে পরে মসজিদ পরিষ্কার রাখতে হবে।
>> মসজিদের প্রাঙ্গন, ওযুখানা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
>> কিছুক্ষণ পর পর দরজা, লাইটের সুইচ, সিড়ির রেলিং পরিষ্কার করতে হবে।