রোকনুজ্জামান রিপন ।।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরেক খুনি রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে দাবি ভারতের দুটি প্রভাবশালী গণমাধ্যমের।
এনডিটিভি বলছে, সীমান্তের কোনো একটি স্থলবন্দর দিয়ে গত সোমবার তাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে আরো বলা হয়েছে- আবদুল মাজেদ ফাঁসি হওয়ার আগে অপর খুনি মোসলেহউদ্দিনের ব্যাপারে তথ্য দেয়।
এনডিটিভি আরো বলছে, মোসলেহ উদ্দিনকে ধরতে গোয়েন্দা সংস্থা অত্যন্ত গোপনীয় অভিযান চালায়। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকেও এ ব্যাপারে জানানো হয়নি।
খুনি মোসলেহ উদ্দিন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে অত্যন্ত সংবেদনশীল চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তারপর তাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মোসলেহউদ্দিনের গ্রেফতারের বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ভারতের ইংরেজি দৈনিক দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, সম্ভবত মোসলেহ উদ্দিনকে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ পক্ষ থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার বিষয়ে অপেক্ষায় আছে। এর আগে গত সোমবার আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, ভারতের গোয়েন্দাদের সহযোগিতায় মোসলেউদ্দিনকে উত্তর চব্বিশ পরগনায় একটি গ্রাম থেকে আটক করা হয়।
যদিও ঢাকায় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, মোসলেহ উদ্দিন ভারতে গ্রেফতার হয়েছেন, এমন তথ্য তাদের জানা নেই।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হানা দেয়া দলটির সামনের সারিতে ছিলেন মোসলেহ উদ্দিন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে এই হত্যা মামলার তদন্ত শুরু করলে মোসলেহ উদ্দিন দেশ থেকে পালিয়ে যান। তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে গা ঢাকা দেন। মোসলেহ উদ্দিনের যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho