শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাস ভাড়া বৃদ্ধি অমানবিক সিদ্ধান্ত: বিএনপি

সাজেদুর রহমান : সিনিয়র রিপোর্টার ;/-

করোনা পরিস্থিতিতে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তকে অমানবিক বলে আখ্যা দিয়েছে বিএনপি। সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব বলেন, জনগণের প্রতি দায়িত্বশীলতা নেই বলেই সরকার করোনা প্রাদুর্ভাবের মাঝেই এভাবে তুগলগি কারবার করছে। এতে করে জনগনকে পুরোপুরিভাবে মহাবিপদের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সরকার নিয়োজিত যে টেনিক্যাল পরামর্শক কমিটি রয়েছে তারাও বারবার বলছেন,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সবকিছু খুলে দেয়া হবে একটা সুইসাইডাল। এটা করলে একটা ভয়ংকর অবস্থা তৈরি হবে। সরকার সে কথা শোনে নি। আমরা মনে করি, সরকার লকডাউন তুলে নেয়ার ক্ষেত্রে আরও সময় নিতে পারত।

প্রতিবেশি দেশের উদাহরণ টেনে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ভারতে দেখেন, তারা সব রাজ্যের চিফ মিনিস্টার (মুখ্যমন্ত্রী), প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিদের (মুখ্য সচিব) সঙ্গে কথা বলে আরও একমাস লকডাউন বাড়িয়েছে।আসলে দায়িত্বশীলতা নেই বলেই সরকার এভাবে তুগলগি কারবার করছে।যেটা জনগনকে পুরোপুরিভাবে মহাবিপদের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের উদ্ভুত যে পরিস্থিতি তা সামাল দিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, ট্রেন চলছে এবং তাতে গাদাগাদি করে মানুষ আসছে। বাসে রীতিমতো মারামারি হচ্ছে উঠার জন্য, জায়গা পাওয়ার জন্য। বাংলাদেশে এভাবে গণপরিবহনকে নিয়ন্ত্রণ করবেন? এটা সম্ভব না। অফিস খুলে দিয়েছেন। অফিস খুললে তো লোকজন আসবেই। লঞ্চেও একই অবস্থা হয়েছে। এখন সরকারের অবস্থা হচ্ছে যে- ‘কানে দিয়েছি তুলো’। তারা কানের তুলে দিয়েছে। যা খুশি বলেন আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা তো আছি। জনগনের চাহিদা যদি পুরণ করা না যায়, জনগনের আশা-আকাঙ্ক্ষা যদি পূরন না করা যায়, আর যদি ভয়াবহ দুর্যোগ নেমে আসে তাহলে কিন্তু থাকে না, চিরকাল থাকে না।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

বাস ভাড়া বৃদ্ধি অমানবিক সিদ্ধান্ত: বিএনপি

প্রকাশের সময় : ০৪:২৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০

সাজেদুর রহমান : সিনিয়র রিপোর্টার ;/-

করোনা পরিস্থিতিতে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তকে অমানবিক বলে আখ্যা দিয়েছে বিএনপি। সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব বলেন, জনগণের প্রতি দায়িত্বশীলতা নেই বলেই সরকার করোনা প্রাদুর্ভাবের মাঝেই এভাবে তুগলগি কারবার করছে। এতে করে জনগনকে পুরোপুরিভাবে মহাবিপদের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সরকার নিয়োজিত যে টেনিক্যাল পরামর্শক কমিটি রয়েছে তারাও বারবার বলছেন,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সবকিছু খুলে দেয়া হবে একটা সুইসাইডাল। এটা করলে একটা ভয়ংকর অবস্থা তৈরি হবে। সরকার সে কথা শোনে নি। আমরা মনে করি, সরকার লকডাউন তুলে নেয়ার ক্ষেত্রে আরও সময় নিতে পারত।

প্রতিবেশি দেশের উদাহরণ টেনে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ভারতে দেখেন, তারা সব রাজ্যের চিফ মিনিস্টার (মুখ্যমন্ত্রী), প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিদের (মুখ্য সচিব) সঙ্গে কথা বলে আরও একমাস লকডাউন বাড়িয়েছে।আসলে দায়িত্বশীলতা নেই বলেই সরকার এভাবে তুগলগি কারবার করছে।যেটা জনগনকে পুরোপুরিভাবে মহাবিপদের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের উদ্ভুত যে পরিস্থিতি তা সামাল দিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, ট্রেন চলছে এবং তাতে গাদাগাদি করে মানুষ আসছে। বাসে রীতিমতো মারামারি হচ্ছে উঠার জন্য, জায়গা পাওয়ার জন্য। বাংলাদেশে এভাবে গণপরিবহনকে নিয়ন্ত্রণ করবেন? এটা সম্ভব না। অফিস খুলে দিয়েছেন। অফিস খুললে তো লোকজন আসবেই। লঞ্চেও একই অবস্থা হয়েছে। এখন সরকারের অবস্থা হচ্ছে যে- ‘কানে দিয়েছি তুলো’। তারা কানের তুলে দিয়েছে। যা খুশি বলেন আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা তো আছি। জনগনের চাহিদা যদি পুরণ করা না যায়, জনগনের আশা-আকাঙ্ক্ষা যদি পূরন না করা যায়, আর যদি ভয়াবহ দুর্যোগ নেমে আসে তাহলে কিন্তু থাকে না, চিরকাল থাকে না।