শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অফিসে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কি করণীয় জেনে নিন

ইমরান হোসেন আশা :/-

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মথ্যেই সরকারি ছুটি তুলে নেয়া হয়েছে। শিথিল করা হয়েছে লকডাউনও। ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরার চেষ্টায় বাংলা। গৃহবন্দি দশা কাটিয়ে নানা কাজে বাইরেও বেরতে হবে। অথচ প্রতিনিয়ত ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলবে করোনাভাইরাস।

এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে সংক্রমণ থেকে দূরে থাকবেন? বাড়ি থেকে বেরনোর আগে জ্বর কাশি, শ্বাসকষ্ট আছে কি না, দেখে নিন। ১৪ দিনের মধ্যে কোনও আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছেন কি না ভেবে দেখুন। তেমন হলে বেরবেন না।বাইরে বেরলে সবসময় মাস্ক পরতে থাকতে হবে। কাগজ বা অন্য কোনও পণ্য আদান-প্রদান করার সময় গ্লাভস পরুন।ব্যাগে অ্যালকোহল যুক্ত স্যানিটাইজার বা সাবান রাখতে হবে। গাড়ির দরজার হাতল ধরলে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিন।

কোনও অবস্থাতেই হাত না ধুয়ে মুখ-হাত-চোখে দেবেন না। চশমা পরাই বাঞ্ছনীয়। তাতে চোখে হাত লাগার সম্ভাবনা কম।বাসে উঠলে যতটা সম্ভব সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

রাস্তায় যত্রতত্র থুতু ফেলা চলবে না। ঠান্ডা পানীয়তে আপাতত ইতি টানাই শ্রেয়। এসি’তে থাকলে তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রির নিচে রাখা যাবে না। ২৫-২৮ ডিগ্রিতে এসি চললেই ভাল। আপাতত অন্যের বাক্স থেকে খাবার না খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অফিসে প্রয়োজন মতো ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধোবেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কীভাবে বাড়াবেন, তার জন্য ফোনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। বাড়ি ফিরেই বাইরের পোশাক সাবান জলে ফেলে দিতে হবে। প্রয়োজনে পরে ধোবেন। কিন্তু সাবান পানিতে ভিজিয়ে রাখা অত্যাবশ্যক।

জুতা বাইরেই খুলুন। বাড়িতে ঢোকাবেন না। ব্যাগটিকেও ঘরের বাইরেই রাখুন। বাড়ি ফিরেই গোছল করবেন। মাথায় সাওয়ার ক্যাপ না পরা থাকলে শ্যাম্পু করাই ভাল।

ব্যবহৃত গ্লাভস ও মাস্ক ঢাকা পাত্রে ফেলতে হবে। ধোয়ার যোগ্য হলে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। চার-পাঁচটা মাস্ক থাকলে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পরুন। সেক্ষেত্রে ব্যবহারের পর রোদে রেখে দিন। ধোয়ার প্রয়োজন নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

অফিসে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কি করণীয় জেনে নিন

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০

ইমরান হোসেন আশা :/-

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মথ্যেই সরকারি ছুটি তুলে নেয়া হয়েছে। শিথিল করা হয়েছে লকডাউনও। ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরার চেষ্টায় বাংলা। গৃহবন্দি দশা কাটিয়ে নানা কাজে বাইরেও বেরতে হবে। অথচ প্রতিনিয়ত ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলবে করোনাভাইরাস।

এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে সংক্রমণ থেকে দূরে থাকবেন? বাড়ি থেকে বেরনোর আগে জ্বর কাশি, শ্বাসকষ্ট আছে কি না, দেখে নিন। ১৪ দিনের মধ্যে কোনও আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছেন কি না ভেবে দেখুন। তেমন হলে বেরবেন না।বাইরে বেরলে সবসময় মাস্ক পরতে থাকতে হবে। কাগজ বা অন্য কোনও পণ্য আদান-প্রদান করার সময় গ্লাভস পরুন।ব্যাগে অ্যালকোহল যুক্ত স্যানিটাইজার বা সাবান রাখতে হবে। গাড়ির দরজার হাতল ধরলে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিন।

কোনও অবস্থাতেই হাত না ধুয়ে মুখ-হাত-চোখে দেবেন না। চশমা পরাই বাঞ্ছনীয়। তাতে চোখে হাত লাগার সম্ভাবনা কম।বাসে উঠলে যতটা সম্ভব সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

রাস্তায় যত্রতত্র থুতু ফেলা চলবে না। ঠান্ডা পানীয়তে আপাতত ইতি টানাই শ্রেয়। এসি’তে থাকলে তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রির নিচে রাখা যাবে না। ২৫-২৮ ডিগ্রিতে এসি চললেই ভাল। আপাতত অন্যের বাক্স থেকে খাবার না খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অফিসে প্রয়োজন মতো ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধোবেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কীভাবে বাড়াবেন, তার জন্য ফোনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। বাড়ি ফিরেই বাইরের পোশাক সাবান জলে ফেলে দিতে হবে। প্রয়োজনে পরে ধোবেন। কিন্তু সাবান পানিতে ভিজিয়ে রাখা অত্যাবশ্যক।

জুতা বাইরেই খুলুন। বাড়িতে ঢোকাবেন না। ব্যাগটিকেও ঘরের বাইরেই রাখুন। বাড়ি ফিরেই গোছল করবেন। মাথায় সাওয়ার ক্যাপ না পরা থাকলে শ্যাম্পু করাই ভাল।

ব্যবহৃত গ্লাভস ও মাস্ক ঢাকা পাত্রে ফেলতে হবে। ধোয়ার যোগ্য হলে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। চার-পাঁচটা মাস্ক থাকলে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পরুন। সেক্ষেত্রে ব্যবহারের পর রোদে রেখে দিন। ধোয়ার প্রয়োজন নেই।