শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্জ : করোনার মধ্যে মাদক সহ ৫৬ জন আটক –৪৯ বিজিবির সিও কর্ণেল সেলিম রেজা

তানজীর মহসিন অংকন:/=
করোনা ভাইরাস সময়ের মধ্যে যশোর বিজিবির অপারেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যাতে কোন মাদক চোরাচালান বা অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে বিশেষ নজরদারী বৃদ্ধি সহ সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি jকরেছে ৪৯ বিজিবি। নিজস্ব গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি সহ চোরাচালান বিরোধী অভিযান বৃদ্ধি করা হয়েছে। রমজান মাসের পরপরই মাদক পরিবহন ও কেনাবেচা বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনায় বিজিবি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহন করে মাদক ব্যাবসায়ী, ক্রেতা ও পরিবহনকারী আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তবে সকল স্থানেই সতর্কতামূলক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে।

৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে কর্ণেল সেলিম রেজা যোগদানের পরপরই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্জ ঘোষনা করেন। তারাই ধারাবাহিকতায়  মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে বিজিবি সদস্যদেরকে।

শোর ৪৯ বিজিবি সদস্যরা হিজলী বিওপির তিলকপুর গ্রাম থেকে ১৬০ বোতল ফেন্সিডিল সহ শামীম হোসেন (৩০) কে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করেছে বিজিবি।সে যশোরের চৌগাছা থানার স্বরুপদাহ গ্রামের  সেলিম হোসেনের ছেলে। গত ২৯ মে ফেন্সিডিল কেনাবেচার সময় বেনাপোলের সাদিপুর গ্রাম থেকে সুন্দরী বেগম (৫০) ও আসাদুল (১৯) কে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করে বিজিবি।

যশোর ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল সেলিম রেজা  পিএসসি জানান, মাদক চোরাচালান ও কেনাবেচার সময় গত ১ মার্চ হতে ২ জুন পর্যন্ত সময়ে মাট ৫৬ জন আসামীসহ ৪ হাজার ৫৬৪ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক করেছে যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়নের  বিজিবি সদস্যরা। বিজিবির এ বিশেষ অভিযান অব্যহত থাকবে। এছাড়াও গোয়েন্দা নজরদারীত রাখা হয়েছে। ইতিপূর্বে আটক হওয়া এবং জামিন পাওয়া চোরাকারবারিদেরকে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ও স্থানীয় জনগন ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদেরকে মাদক ব্যবসা হতে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে । মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, বিশেষ অভিযানে এ অঞ্চলে মাদক চোরাচালানী বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে এবং বিজিবির পক্ষ হতে বলা হয়েছে এ সংখ্যা শূন্যে নামীয়ে আনা হবে । তবে স্থানীয় জনগনের আরো ও বেশী সচেতন হওয়া দরকার। স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহল এ ব্যাপারে সার্বিকভাবে সহায়তা করছে।  সকলে মিলে চেষ্টা করলে বেনাপোল সংলগ্ন সকল ঝুকিপূর্ণ এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ব্যবহার নির্মূল করা সম্ভব হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

যশোরে মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্জ : করোনার মধ্যে মাদক সহ ৫৬ জন আটক –৪৯ বিজিবির সিও কর্ণেল সেলিম রেজা

প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০

তানজীর মহসিন অংকন:/=
করোনা ভাইরাস সময়ের মধ্যে যশোর বিজিবির অপারেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যাতে কোন মাদক চোরাচালান বা অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে বিশেষ নজরদারী বৃদ্ধি সহ সীমান্তে জনবল বৃদ্ধি jকরেছে ৪৯ বিজিবি। নিজস্ব গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি সহ চোরাচালান বিরোধী অভিযান বৃদ্ধি করা হয়েছে। রমজান মাসের পরপরই মাদক পরিবহন ও কেনাবেচা বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনায় বিজিবি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহন করে মাদক ব্যাবসায়ী, ক্রেতা ও পরিবহনকারী আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তবে সকল স্থানেই সতর্কতামূলক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে।

৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে কর্ণেল সেলিম রেজা যোগদানের পরপরই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্জ ঘোষনা করেন। তারাই ধারাবাহিকতায়  মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে বিজিবি সদস্যদেরকে।

শোর ৪৯ বিজিবি সদস্যরা হিজলী বিওপির তিলকপুর গ্রাম থেকে ১৬০ বোতল ফেন্সিডিল সহ শামীম হোসেন (৩০) কে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করেছে বিজিবি।সে যশোরের চৌগাছা থানার স্বরুপদাহ গ্রামের  সেলিম হোসেনের ছেলে। গত ২৯ মে ফেন্সিডিল কেনাবেচার সময় বেনাপোলের সাদিপুর গ্রাম থেকে সুন্দরী বেগম (৫০) ও আসাদুল (১৯) কে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করে বিজিবি।

যশোর ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল সেলিম রেজা  পিএসসি জানান, মাদক চোরাচালান ও কেনাবেচার সময় গত ১ মার্চ হতে ২ জুন পর্যন্ত সময়ে মাট ৫৬ জন আসামীসহ ৪ হাজার ৫৬৪ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক করেছে যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়নের  বিজিবি সদস্যরা। বিজিবির এ বিশেষ অভিযান অব্যহত থাকবে। এছাড়াও গোয়েন্দা নজরদারীত রাখা হয়েছে। ইতিপূর্বে আটক হওয়া এবং জামিন পাওয়া চোরাকারবারিদেরকে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ও স্থানীয় জনগন ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদেরকে মাদক ব্যবসা হতে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে । মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, বিশেষ অভিযানে এ অঞ্চলে মাদক চোরাচালানী বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে এবং বিজিবির পক্ষ হতে বলা হয়েছে এ সংখ্যা শূন্যে নামীয়ে আনা হবে । তবে স্থানীয় জনগনের আরো ও বেশী সচেতন হওয়া দরকার। স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহল এ ব্যাপারে সার্বিকভাবে সহায়তা করছে।  সকলে মিলে চেষ্টা করলে বেনাপোল সংলগ্ন সকল ঝুকিপূর্ণ এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ব্যবহার নির্মূল করা সম্ভব হবে।