ইকবাল হোসেন:/=
সমগ্র বিশ্বের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামনে বড় যে চ্যালেঞ্জ এসে দাঁড়িয়েছে তার নাম নভেল করোনাভাইরাস। গঠনগত বৈশিষ্ট ও সংক্রামিত হওয়ার ব্যাপকতার মাত্রানুসারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারি ঘোষণা করেছে।শুরুতে নভেল করোনাভাইরাস নাম থাকলেও পরবর্তীতে নাম দেয়া হয় কোভিড-১৯। এর প্রাদুর্ভাব সুদূর চিন থেকে শুরু হলেও পরবর্তীতে সমগ্র বিশ্বেই এমন উপসর্গ দেখা যায় অজানা কোনও এক কারনে মানুষের ফুসফুস সংক্রামিত হয়ে ক্রমেই মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যদিও বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশই এই মহামারী প্রকোপের বিপর্যস্থ অবস্থা থেকে কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে।
আমাদের দেশেও পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাস শনাক্তকরণের জোর প্রচেষ্টা চলছে এবং ইতিমধ্যে ষাট হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং আটশোর বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন।
কোনও ভাবেই এই ধরনের মৃত্যু রাষ্ট্রের কাছে কাম্য নয়।দিন দিন এই পরীক্ষার পরিধি বাড়িয়ে নেয়া হচ্ছে। রোগ শনাক্তকরণের পর রোগীকে কোয়ারেন্টাইনে না হলে আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। যাদের তেমন কোনও উপসর্গ নেই বা মৃদু উপসর্গ কিন্তু কোভিড-১৯ পজিটিভ তাদের জন্য কোয়ারেন্টাইন।
আবার যাদের উপসর্গ আছে তাদের জন্য হাসপাতালে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এখানে কোভিড-১৯ এর সাথে যারা অন্যান্য রোগে আগে থেকেই আক্রান্ত তাদের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।
এই উভয়সংকটময় অবস্থায় চিকিৎসার পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা ও পরামর্শের একটা বড় ভূমিকা আছে। অবস্থা বিবেচনায় থেরাপিউটিক এক্সারসাইজের সাথে ফুসফুসের ব্যায়াম অনেক উপকারী। যা স্পাইরোমিটার এক্সারসাইজ না হলে শুধু বেলুন ফুলিয়েও ফুসফুসের ব্যায়াম করা যেতে পারে।
আর আমরা যারা সুস্থ আছি তাদের অবশ্যই দৈনিক নিয়ম করে কমপক্ষে পনের থেকে বিশ মিনিট শরীর চর্চা করা জরুরী। শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী এর সময়সীমা ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে। কারন আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক সাস্থ্যকে প্রফুল্ল রাখার জন্য এই শরীর চর্চার বিকল্প নেই। সেটা হতে পারে কোনও স্ত্রেচিং এক্সারসাইজ , কোনও ইয়োগা বা স্কিপিং।
তবে যাদের বাত, ব্যথা বা মেরুদণ্ডের সমস্যা আছে অথবা অন্য কোনও অসুখ আছে বা বয়স্ক তাদের অবশ্যই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শে অনুসারে এই এক্সারসাইজ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় একটি কথার মধ্য দিয়ে উপসংহারে আসা যেতে পারে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ , নিয়মিত শরীর চর্চা এবং আমাদের সামাজিক সচেতনতাই হতে পারে এই প্রতিকূল অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho