শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভারতে করোনায় চাকরি হারিয়ে শ্রমিকের কাজ করছেন উচ্চশিক্ষিতরা

মো: ইদ্রিস আলী:/=

লকডাউনের কারণে ভারতে কমপক্ষে ৩০ লাখ পরিবার কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এতে বেকার হয়ে পড়েছেন বহু উচ্চশিক্ষিত যুবক। তাই পেটের দায়ে তারা এখন শ্রমিকের কাজ করতেও দ্বিধা করছেন না।

ভারতের এক সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, উত্তরপ্রদেশে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী অনেক যুবক কাজ হারিয়ে মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি বা মনরেগা প্রকল্পের আওতায় কাজ খুঁজছেন। মাটি কাটা এই প্রকল্পের আওতায় শ্রমিকরা ১০০ দিন কাজ করার সুযোগ পান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, লকডাউনের কারণে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া ওই সব পরিবার কর্মহীন হয়ে রাজ্যে ফিরে এসেছেন। মূলত সেই পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য যোগী আদিত্যনাথের সরকার কাজের সংস্থানের জন্যেই চাকরি দেয়ার জন্য মনরেগা প্রকল্পের কাজ শুরু করেছেন।

কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, শুধু পরিযায়ীরাই নন, দিনমজুরের কাজ করার জন্যে এখন আবেদন করছেন উচ্চশিক্ষিত বেকাররাও। পেটের দায়ে কোনো কাজ করতেই দ্বিধা করছেন না তারা।

দেখা যাচ্ছে যেখানে লকডাউনের আগে এক দিনে গড়ে ২০ জন মনরেগা কর্মী কাজের অপেক্ষায় থাকতেন এখন  সেখানে দৈনিক ১০০ জনেরও বেশি মানুষ চাইছেন একটি কাজ, সে  যেমনই হোক না কেন। মনরেগায় কাজ করার জন্যে যারা আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে এক পঞ্চমাংশই ডিগ্রিধারী উচ্চশিক্ষিত যুবক। বহু শিক্ষিত, স্নাতকোত্তর ছেলেরা রাজ্যে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করছেন।

এমএ পাশ করেও মনরেগা প্রকল্পে কাজের আবেদন করেছেন উত্তরপ্রদেশের রোশন নামে এক তরুণ। তার কথায়, আমি চাকরি করতাম এবং ভালো টাকাও উপার্জন করতাম, কিন্তু লকডাউনের কারণে আমার সেই চাকরিটাই চলে যায়।

জানা গেছে, এপ্রিল মাস  থেকেই দেশে কমপক্ষে ৩৫ লাখ মানুষ মনরেগা শ্রমিক হিসাবে কাজ করার জন্য আবেদন করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

ব্রায়ান লারার অপরাজিত ৪০০ রানের রেকর্ড, দু’দশক আজ

ভারতে করোনায় চাকরি হারিয়ে শ্রমিকের কাজ করছেন উচ্চশিক্ষিতরা

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২০

মো: ইদ্রিস আলী:/=

লকডাউনের কারণে ভারতে কমপক্ষে ৩০ লাখ পরিবার কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এতে বেকার হয়ে পড়েছেন বহু উচ্চশিক্ষিত যুবক। তাই পেটের দায়ে তারা এখন শ্রমিকের কাজ করতেও দ্বিধা করছেন না।

ভারতের এক সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, উত্তরপ্রদেশে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী অনেক যুবক কাজ হারিয়ে মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি বা মনরেগা প্রকল্পের আওতায় কাজ খুঁজছেন। মাটি কাটা এই প্রকল্পের আওতায় শ্রমিকরা ১০০ দিন কাজ করার সুযোগ পান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, লকডাউনের কারণে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া ওই সব পরিবার কর্মহীন হয়ে রাজ্যে ফিরে এসেছেন। মূলত সেই পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য যোগী আদিত্যনাথের সরকার কাজের সংস্থানের জন্যেই চাকরি দেয়ার জন্য মনরেগা প্রকল্পের কাজ শুরু করেছেন।

কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, শুধু পরিযায়ীরাই নন, দিনমজুরের কাজ করার জন্যে এখন আবেদন করছেন উচ্চশিক্ষিত বেকাররাও। পেটের দায়ে কোনো কাজ করতেই দ্বিধা করছেন না তারা।

দেখা যাচ্ছে যেখানে লকডাউনের আগে এক দিনে গড়ে ২০ জন মনরেগা কর্মী কাজের অপেক্ষায় থাকতেন এখন  সেখানে দৈনিক ১০০ জনেরও বেশি মানুষ চাইছেন একটি কাজ, সে  যেমনই হোক না কেন। মনরেগায় কাজ করার জন্যে যারা আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে এক পঞ্চমাংশই ডিগ্রিধারী উচ্চশিক্ষিত যুবক। বহু শিক্ষিত, স্নাতকোত্তর ছেলেরা রাজ্যে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করছেন।

এমএ পাশ করেও মনরেগা প্রকল্পে কাজের আবেদন করেছেন উত্তরপ্রদেশের রোশন নামে এক তরুণ। তার কথায়, আমি চাকরি করতাম এবং ভালো টাকাও উপার্জন করতাম, কিন্তু লকডাউনের কারণে আমার সেই চাকরিটাই চলে যায়।

জানা গেছে, এপ্রিল মাস  থেকেই দেশে কমপক্ষে ৩৫ লাখ মানুষ মনরেগা শ্রমিক হিসাবে কাজ করার জন্য আবেদন করেছেন।