মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

করোনায় দারিদ্র্যতা তীব্র আকার ধারণ করবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৫ টি দেশে

দেবুল কুমার দাস: স্টাফ রিপোর্টার:/=

করোনা পরিস্থিতিতে দেশে দেশে লকডাউন আরোপ, খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ বাঁধাগ্রস্ত হওয়াসহ একাধিক কারণে বৈশ্বিক দারিদ্র্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। এতে বড় আকারে ভুক্তভোগী হবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার পাঁচটি দেশ।ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানায়, শুক্রবার প্রকাশিত কিংস কলেজ লন্ডন এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সটির যৌথ গবেষণায় এমনটি উঠে এসেছে। করোনার কারণে পৃথিবীতে দরিদ্র্য লোকের সংখ্যা এক বিলিয়ন বেড়ে যাবে। যার মধ্যে মধ্য আয়ের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নাটকীয়ভাবে দারিদ্র্য বেড়ে যাবে বলে জানান কিংস কলেজের অধ্যাপক অ্যান্ডি সুমনার। তিনি ওই গবেষণা নিবন্ধের একজন সহ-লেখক। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনে খাদ্য সংকটের কারণে দারিদ্র্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন গবেষকেরা। মহামারীতে অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর জন্য দেশগুলোকে দুর্বল মনে করছেন তারা। মহামারী শেষে অর্থনৈতিক ধাক্কার বড় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন; দারিদ্র্যসীমার ঠিক ওপরে থাকা লাখ লাখ মানুষ। তবে সবচয়ে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে পড়বেন চরম দারিদ্র্য সীমায় থাকায় লোকেরা, যাদের দৈনিক মাথাপিছু আয় মাত্র ১.৯৯ ডলার। ফলে ৭০০ মিলিয়ন থেকে দরিদ্র সংখ্যা ১.১ বিলিয়নে পৌঁছে যেতে পারে বলে গবেষণাপত্রটি জানায়। সুমনার বলেন, কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নিলে এই সংকটের কারণে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে যার প্রভাব পড়বে ২০ থেকে ৩০ বছর।সংকট মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়ার বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান গবেষকয়েরা। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে এবারের জি-৭ এর সম্মেলন পিছিয়ে যাওয়ায় এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের ব্যাপারে আশাবাদী হতে পারছেন না তারা।রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের অংশগ্রহণসহ বিশ্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশগুলোর ওই জোটের সম্মেলন জুনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। করোনা পরিস্থিতির কারণে পিছিয়ে যাওয়া সম্মেলনটি এখন সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে কথা চলছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

করোনায় দারিদ্র্যতা তীব্র আকার ধারণ করবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৫ টি দেশে

প্রকাশের সময় : ০৮:২২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

দেবুল কুমার দাস: স্টাফ রিপোর্টার:/=

করোনা পরিস্থিতিতে দেশে দেশে লকডাউন আরোপ, খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ বাঁধাগ্রস্ত হওয়াসহ একাধিক কারণে বৈশ্বিক দারিদ্র্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। এতে বড় আকারে ভুক্তভোগী হবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার পাঁচটি দেশ।ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানায়, শুক্রবার প্রকাশিত কিংস কলেজ লন্ডন এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সটির যৌথ গবেষণায় এমনটি উঠে এসেছে। করোনার কারণে পৃথিবীতে দরিদ্র্য লোকের সংখ্যা এক বিলিয়ন বেড়ে যাবে। যার মধ্যে মধ্য আয়ের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নাটকীয়ভাবে দারিদ্র্য বেড়ে যাবে বলে জানান কিংস কলেজের অধ্যাপক অ্যান্ডি সুমনার। তিনি ওই গবেষণা নিবন্ধের একজন সহ-লেখক। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনে খাদ্য সংকটের কারণে দারিদ্র্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন গবেষকেরা। মহামারীতে অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর জন্য দেশগুলোকে দুর্বল মনে করছেন তারা। মহামারী শেষে অর্থনৈতিক ধাক্কার বড় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন; দারিদ্র্যসীমার ঠিক ওপরে থাকা লাখ লাখ মানুষ। তবে সবচয়ে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে পড়বেন চরম দারিদ্র্য সীমায় থাকায় লোকেরা, যাদের দৈনিক মাথাপিছু আয় মাত্র ১.৯৯ ডলার। ফলে ৭০০ মিলিয়ন থেকে দরিদ্র সংখ্যা ১.১ বিলিয়নে পৌঁছে যেতে পারে বলে গবেষণাপত্রটি জানায়। সুমনার বলেন, কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নিলে এই সংকটের কারণে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে যার প্রভাব পড়বে ২০ থেকে ৩০ বছর।সংকট মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়ার বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান গবেষকয়েরা। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে এবারের জি-৭ এর সম্মেলন পিছিয়ে যাওয়ায় এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের ব্যাপারে আশাবাদী হতে পারছেন না তারা।রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের অংশগ্রহণসহ বিশ্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশগুলোর ওই জোটের সম্মেলন জুনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। করোনা পরিস্থিতির কারণে পিছিয়ে যাওয়া সম্মেলনটি এখন সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যাপারে কথা চলছে।