শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ

সাজেদুর রহমান; সিনিয়র রিপোর্টার:/=

বাংলাদেশের ৮ শতাংশ মানুষ বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ (সোলার হোম সিস্টেম) ব্যবহার করে। আর এর মধ্য দিয়ে বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার রিনিউবেল এনার্জি পলিসি নেটওয়ার্ক ফর দ্য টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরির (আরইএনএ ২১) প্রকাশিত ২০২০ সালের বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট (জিএসআর) থেকে এ তথ্য জানা যায়।

সমান পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মঙ্গোলিয়া। তালিকার প্রথম স্থানে থাকা নেপালে ১১ শতাংশ মানুষ বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে।

তবে বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বা উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের কোনো অবস্থান নেই। এই তালিকায় ৪৭টি দেশের মধ্যে জনপ্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে সবার শীর্ষে আইসল্যান্ড। দেশটিতে জনপ্রতি ২১৩৫ ইউনিট নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এশিয়া মহাদেশ থেকে কেবল জাপানের নাম রয়েছে এখানে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। এখানে জনপ্রতি ১৬১৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। তৃতীয় সুইডেন ১৫০৪ ইউনিট, চতুর্থ জার্মানি ১৪৪২ ইউনিট ও পঞ্চম অস্ট্রেলিয়া ৮৭২ ইউনিট নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর হার বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ অন্যতম বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশে ৪৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় ছিল, যা ২০১৯ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৯৫ শতাংশ। তবে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের একটি, যারা রান্নার কাজে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যসম্মত জ্বালানি ব্যবহার করে না। নিম্নমানের সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়েনি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিষয়ে সারা বিশ্বের অন্যতম প্রধান গবেষণা ও নীতি প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান আরইএনএ ২১। এর সদস্যদের মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইউএনইএফ, শিল্প উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা ইউএনআইডিও, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), ইউরোপীয় ইউনিয়ন, বিশ্বব্যাংক, এডিবি, গ্রিনপিসসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ভারত, সুইডেন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ ১২টি দেশ এ সংস্থার সরাসরি সদস্য।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ১০:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০

সাজেদুর রহমান; সিনিয়র রিপোর্টার:/=

বাংলাদেশের ৮ শতাংশ মানুষ বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ (সোলার হোম সিস্টেম) ব্যবহার করে। আর এর মধ্য দিয়ে বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার রিনিউবেল এনার্জি পলিসি নেটওয়ার্ক ফর দ্য টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরির (আরইএনএ ২১) প্রকাশিত ২০২০ সালের বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট (জিএসআর) থেকে এ তথ্য জানা যায়।

সমান পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মঙ্গোলিয়া। তালিকার প্রথম স্থানে থাকা নেপালে ১১ শতাংশ মানুষ বাসাবাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে।

তবে বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বা উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের কোনো অবস্থান নেই। এই তালিকায় ৪৭টি দেশের মধ্যে জনপ্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে সবার শীর্ষে আইসল্যান্ড। দেশটিতে জনপ্রতি ২১৩৫ ইউনিট নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এশিয়া মহাদেশ থেকে কেবল জাপানের নাম রয়েছে এখানে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। এখানে জনপ্রতি ১৬১৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। তৃতীয় সুইডেন ১৫০৪ ইউনিট, চতুর্থ জার্মানি ১৪৪২ ইউনিট ও পঞ্চম অস্ট্রেলিয়া ৮৭২ ইউনিট নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর হার বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ অন্যতম বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশে ৪৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় ছিল, যা ২০১৯ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৯৫ শতাংশ। তবে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের একটি, যারা রান্নার কাজে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যসম্মত জ্বালানি ব্যবহার করে না। নিম্নমানের সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়েনি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিষয়ে সারা বিশ্বের অন্যতম প্রধান গবেষণা ও নীতি প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান আরইএনএ ২১। এর সদস্যদের মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইউএনইএফ, শিল্প উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা ইউএনআইডিও, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), ইউরোপীয় ইউনিয়ন, বিশ্বব্যাংক, এডিবি, গ্রিনপিসসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ভারত, সুইডেন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ ১২টি দেশ এ সংস্থার সরাসরি সদস্য।