শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সংসদ সদস্য পাপুলের ১৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করার আবেদন

নজরুল ইসলাম:স্টাফ রিপোর্টার:/=

মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম পাপুল এবং তার কোম্পানির প্রায় ৫০ লাখ কুয়েতি দিনার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৪০ কোটি) জব্দ হচ্ছে। এই টাকা ফ্রিজ করতে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অনুরোধ করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর।

কুয়েতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে পাবলিক প্রসিকিউটর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ওই অর্থ ফ্রিজ করতে আবেদন করেছেন। যাতে পাপুল বা তার নমিনি তা তুলতে না পারেন কিংবা অন্য কোথাও পাচার না হতে পারেন। এ ছাড়া সরকারের কৌঁসুলিরা মনে করছেন, পরবর্তী সময় এটি মামলার প্রমাণ হিসেবে তাদের জন্য জরুরি।

এদিকে কুয়েত সরকারের তিন কর্মকর্তা পাপুল মামলায় সরকারি কৌঁসুলির কাছে বক্তব্য দিয়েছে। এদের মধ্যে দুজন ম্যানপাওয়ার কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা এবং একজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা। এখন পর্যন্ত তদন্তে পাওয়া গেছে, পাপুল প্রতি বছর ঘুষ, উপহার ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৬০ কোটি টাকা নেট লাভ করতেন।

গত ৬ জুন মানবপাচার, ভিসা বাণিজ্য ও অর্থপাচার সংক্রান্ত অপরাধে পাপুলকে কুয়েতের মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করলে জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

এদিকে অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আরো অনুসন্ধানের স্বার্থে সংসদ সদস্য ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক শহিদুল ইসলাম পাপুলকে সপরিবারে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

সংসদ সদস্য পাপুলের ১৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করার আবেদন

প্রকাশের সময় : ০১:২৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০

নজরুল ইসলাম:স্টাফ রিপোর্টার:/=

মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম পাপুল এবং তার কোম্পানির প্রায় ৫০ লাখ কুয়েতি দিনার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৪০ কোটি) জব্দ হচ্ছে। এই টাকা ফ্রিজ করতে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অনুরোধ করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর।

কুয়েতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে পাবলিক প্রসিকিউটর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ওই অর্থ ফ্রিজ করতে আবেদন করেছেন। যাতে পাপুল বা তার নমিনি তা তুলতে না পারেন কিংবা অন্য কোথাও পাচার না হতে পারেন। এ ছাড়া সরকারের কৌঁসুলিরা মনে করছেন, পরবর্তী সময় এটি মামলার প্রমাণ হিসেবে তাদের জন্য জরুরি।

এদিকে কুয়েত সরকারের তিন কর্মকর্তা পাপুল মামলায় সরকারি কৌঁসুলির কাছে বক্তব্য দিয়েছে। এদের মধ্যে দুজন ম্যানপাওয়ার কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা এবং একজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা। এখন পর্যন্ত তদন্তে পাওয়া গেছে, পাপুল প্রতি বছর ঘুষ, উপহার ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৬০ কোটি টাকা নেট লাভ করতেন।

গত ৬ জুন মানবপাচার, ভিসা বাণিজ্য ও অর্থপাচার সংক্রান্ত অপরাধে পাপুলকে কুয়েতের মুশরেফ আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করলে জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

এদিকে অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আরো অনুসন্ধানের স্বার্থে সংসদ সদস্য ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক শহিদুল ইসলাম পাপুলকে সপরিবারে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।