শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আপনার ঘরের আলমারির অন্দরমহলও থাকুক টিপটপ

লামিসা মহসিন : /=

ঘরোয়া আসবাবের তালিকায় উপরের দিকেই থাকে আলমারি। স্টিল হোক বা কাঠের – জামাকাপড় রাখার এমন আসবাব ছাড়া গৃহস্থের তো চলেই না। যতই বাইরে থেকে আলমারির ভিতরে দেখা না যাক, তবু তো তাকে গুছিয়ে রাখতে হয়। আসলে, আলমারি গুছিয়ে রাখা মানে নিজেদের জামাকাপড়ই যত্ন করে, সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখা। কীভাবে আলমারির অন্তরের শোভা বৃদ্ধি করা যায়, আপনার জন্য রইল অতি সহজ কয়েকটি টিপস।

প্রথমেই আলমারির কোন তাকে কী রাখবেন, তা ঠিক করে ফেলুন। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ওয়েস্টার্নের জন্য আলাদা তাক বেছে নিন। গয়না রাখুন আলমারির ভিতরের ছোট ছোট খোপগুলোতে। নিরাপদ থাকবে, আপনারও মনে থাকবে অনায়াসে।

ট্রাউজার কিংবা শার্টের মতো ওয়েস্টার্ন পোশাক হ্যাঙারে ঝুলিয়ে রাখাই ভাল। তাতে অতিরিক্ত ভাঁজ পড়ে না। তাড়াহুড়োর সময়ে হ্যাঙার থেকে নামিয়েই পরে ফেলতে পারবেন সহজে। জিন্স ভাঁজ করে একটার উপর আরেকটা রাখুন। সালোয়ার-কামিজ অবশ্যই সেট করে অর্থাৎ কামিজ, সালোয়ার এবং ওড়না – তিনটে অংশ একসঙ্গে ভাঁজ করে রাখুন। তাতে পরার সময় কিছু খুঁজতে হবে না। আর শাড়ির ক্ষেত্রে দু’ভাবেই রাখতে পারেন – পাতলা, নরম শাড়ি ভাঁজ করে রাখলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই তেমন শাড়ি আলমারির রডে ঝুলিয়ে রাখুন। মাঝেমধ্যে অবশ্যই বের করে ভাঁজ উলটেপালটে রাখতে হবে। খুব ভারী শাড়ি হলে, তা ভাঁজ করে একটার উপর আরেকটা রাখতে পারেন। দামী শাড়ি কাগজের বাক্সে ভরেও আলমারিতে রাখুন। ভাল থাকবে।

Saree-almirah

এসব তো গেল কীভাবে আলমারির ভিতরটা সাজিয়ে সুন্দর করে তুলবেন। কিন্তু এই যে সাজিয়ে তুললেন, তা তো সাবধানে রাখতে হবে। তার জন্য কী করতে হবে? বেশি কিছু নয়। খুব সামান্য আয়োজনেই সব ঠিকঠাক রাখতে পারবেন আপনি। আলমারির তাকগুলোতে সমান আকারের কাগজ পেতে তার উপর জামাকাপড় রাখুন। তাহলে কাপড় কাঠ বা স্টিলের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে আসবে না।

সপ্তাহে একদিন আলমারি খুলে জামাকাপড় বের করে একটু রোদে দিন। একেক সপ্তাহে একেক ধরনের জামাকাপড়ে রোদ লাগিয়ে নিতে পারেন। তাহলে খাটনিও কম পড়বে, সঠিক যত্নও নেওয়া হবে। ঘর গোছানোর মাঝে এমনই কয়েকটা ছোটখাটো কাজ করলেই, আপনার আলমারি শুধু বহিরঙ্গে নয়, অন্দরমহলেও হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়। অন্যেরা আপনাকে দেখেই শিখবে আলমারি গোছানো কাকে বলে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

আপনার ঘরের আলমারির অন্দরমহলও থাকুক টিপটপ

প্রকাশের সময় : ০৩:৪০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২০

লামিসা মহসিন : /=

ঘরোয়া আসবাবের তালিকায় উপরের দিকেই থাকে আলমারি। স্টিল হোক বা কাঠের – জামাকাপড় রাখার এমন আসবাব ছাড়া গৃহস্থের তো চলেই না। যতই বাইরে থেকে আলমারির ভিতরে দেখা না যাক, তবু তো তাকে গুছিয়ে রাখতে হয়। আসলে, আলমারি গুছিয়ে রাখা মানে নিজেদের জামাকাপড়ই যত্ন করে, সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখা। কীভাবে আলমারির অন্তরের শোভা বৃদ্ধি করা যায়, আপনার জন্য রইল অতি সহজ কয়েকটি টিপস।

প্রথমেই আলমারির কোন তাকে কী রাখবেন, তা ঠিক করে ফেলুন। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ওয়েস্টার্নের জন্য আলাদা তাক বেছে নিন। গয়না রাখুন আলমারির ভিতরের ছোট ছোট খোপগুলোতে। নিরাপদ থাকবে, আপনারও মনে থাকবে অনায়াসে।

ট্রাউজার কিংবা শার্টের মতো ওয়েস্টার্ন পোশাক হ্যাঙারে ঝুলিয়ে রাখাই ভাল। তাতে অতিরিক্ত ভাঁজ পড়ে না। তাড়াহুড়োর সময়ে হ্যাঙার থেকে নামিয়েই পরে ফেলতে পারবেন সহজে। জিন্স ভাঁজ করে একটার উপর আরেকটা রাখুন। সালোয়ার-কামিজ অবশ্যই সেট করে অর্থাৎ কামিজ, সালোয়ার এবং ওড়না – তিনটে অংশ একসঙ্গে ভাঁজ করে রাখুন। তাতে পরার সময় কিছু খুঁজতে হবে না। আর শাড়ির ক্ষেত্রে দু’ভাবেই রাখতে পারেন – পাতলা, নরম শাড়ি ভাঁজ করে রাখলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই তেমন শাড়ি আলমারির রডে ঝুলিয়ে রাখুন। মাঝেমধ্যে অবশ্যই বের করে ভাঁজ উলটেপালটে রাখতে হবে। খুব ভারী শাড়ি হলে, তা ভাঁজ করে একটার উপর আরেকটা রাখতে পারেন। দামী শাড়ি কাগজের বাক্সে ভরেও আলমারিতে রাখুন। ভাল থাকবে।

Saree-almirah

এসব তো গেল কীভাবে আলমারির ভিতরটা সাজিয়ে সুন্দর করে তুলবেন। কিন্তু এই যে সাজিয়ে তুললেন, তা তো সাবধানে রাখতে হবে। তার জন্য কী করতে হবে? বেশি কিছু নয়। খুব সামান্য আয়োজনেই সব ঠিকঠাক রাখতে পারবেন আপনি। আলমারির তাকগুলোতে সমান আকারের কাগজ পেতে তার উপর জামাকাপড় রাখুন। তাহলে কাপড় কাঠ বা স্টিলের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে আসবে না।

সপ্তাহে একদিন আলমারি খুলে জামাকাপড় বের করে একটু রোদে দিন। একেক সপ্তাহে একেক ধরনের জামাকাপড়ে রোদ লাগিয়ে নিতে পারেন। তাহলে খাটনিও কম পড়বে, সঠিক যত্নও নেওয়া হবে। ঘর গোছানোর মাঝে এমনই কয়েকটা ছোটখাটো কাজ করলেই, আপনার আলমারি শুধু বহিরঙ্গে নয়, অন্দরমহলেও হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়। অন্যেরা আপনাকে দেখেই শিখবে আলমারি গোছানো কাকে বলে।