শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম, করোনায় তাদের বাড়িতে রাখা যাবে না

সাজেদুর রহমান: সিনিয়র রিপোর্টার:/=

যাদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম, তাদের হোম আইসোলেশনে রাখা যাবে না । করোনা আক্রান্তদের হোম আইসোলেশনে রাখা সংক্রান্ত নয়া গাইডলাইনস দিল কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত এই নির্দেশিকায় বলে দেওয়া হয়েছে ঠিক কোন কোন রোগ থাকলে হোম আইসোলেশনে থাকা যাবে না।

যাদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম, তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা যাবে না। এর মধ্যে আছেন যারা এইচআইভি পজিটিভ, যারা ক্যানসার রোগী বা যাদের অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে যে যারা ৬০ বছরের বেশি বয়স, তাদের বাড়িতে করোনা চিকিৎসা তখনই হতে পারে যখন সেই ছাড়পত্র দেবেন মেডিক্যাল অফিসার। একই নিয়ম প্রযোজ্য যারা বিভিন্ন কোমর্বিডিটিতে ভুগছেন তাদের জন্য। অর্থাৎ প্রেশার, ডায়েবিটিস, হার্ট, কিডনি, লিভার ইত্যাদি নিয়ে সমস্যা থাকলে করোনা ভয়াল আকার ধারণ করতে পারে।  সেই ক্ষেত্রে শুধু চিকিৎসক বললেই বাড়িতে দেখাশোনা হতে পারে করোনা রোগীর।

এই নয়া গাইডলাইনস আসার পরে ১০ মে-র নির্দেশিকাটি বাতিল হয়ে গেল। এটির আওতায় আনা হয়েছে অ্যাসিমপটোম্যাটিক পজিটিভ কেসগুলিও। অর্থাৎ যারা করোনা পজিটিভ কিন্তু শরীরে কোনও চিহ্ন নেই, তাদের কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই নির্দেশিকায়। এর আগেরটায় শুধু যাদের শরীরে অল্প লক্ষণ আছে তাদের জন্য নিয়ম বলা ছিল। অনেক মানুষই করোনা পজিটিভ হচ্ছেন, কিন্তু শরীরে কোনও চিহ্ন নেই। তাদের আরও ভালো ভাবে মেডিক্যাল সাহায্য দেওয়ার জন্য এই বদল আনা হল নির্দেশিকায়।

যাদের হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে, তাদের কীভাবে দেখভাল করা হবে সেটাও দেওয়া আছে নির্দেশিকায়। সেটার মোতাবেক প্রতিদিন একনয় কেউ রোগীকে গিয়ে দেখে আসবেন নয়তো ফোনে জিজ্ঞেস করা হবে। তাপমাত্রা, পালস রেট ও অক্সিজেন স্যাচুরেশনের মাত্রা কল সেন্টার থেকে ফোন করলে জানাতে হবে প্রতিদিন। স্বাস্থ্য দফতরেরে ফিল্ড অপারেটর গিয়ে বুঝিয়ে আসবে কীভাবে এই তিনটে জিনিসকে পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

যারা হোম আইসোলেশনে আছেন তাদের শারীরিক অবস্থার রেকর্ড কোভিড পোর্টালে আপডেট করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। জেলা প্রশাসনকে নজরদারি করতে হবে ঠিক করে কাজ হচ্ছে কি না এই নিয়ে ।

যদি এই নজরদারিতে গাফিলতি হয়, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। একই সঙ্গে বাড়িতে কেউ যদি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাদের হাসপাতালে শিফ্ট করার দায়িত্বও বর্তেছে জেলা প্রশাসনের ওপর। কোনও রোগী করোনা পজিটিভ হয়ে বাড়িতে থাকলে তাঁর ঘনিষ্ঠ কন্ট্যাক্ট যারা ও বাড়ির লোকজন, সবার করোনা পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সুত্র :- হিন্দুস্তান টাইমস।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

ব্রায়ান লারার অপরাজিত ৪০০ রানের রেকর্ড, দু’দশক আজ

যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম, করোনায় তাদের বাড়িতে রাখা যাবে না

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০

সাজেদুর রহমান: সিনিয়র রিপোর্টার:/=

যাদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম, তাদের হোম আইসোলেশনে রাখা যাবে না । করোনা আক্রান্তদের হোম আইসোলেশনে রাখা সংক্রান্ত নয়া গাইডলাইনস দিল কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত এই নির্দেশিকায় বলে দেওয়া হয়েছে ঠিক কোন কোন রোগ থাকলে হোম আইসোলেশনে থাকা যাবে না।

যাদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম, তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা যাবে না। এর মধ্যে আছেন যারা এইচআইভি পজিটিভ, যারা ক্যানসার রোগী বা যাদের অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে যে যারা ৬০ বছরের বেশি বয়স, তাদের বাড়িতে করোনা চিকিৎসা তখনই হতে পারে যখন সেই ছাড়পত্র দেবেন মেডিক্যাল অফিসার। একই নিয়ম প্রযোজ্য যারা বিভিন্ন কোমর্বিডিটিতে ভুগছেন তাদের জন্য। অর্থাৎ প্রেশার, ডায়েবিটিস, হার্ট, কিডনি, লিভার ইত্যাদি নিয়ে সমস্যা থাকলে করোনা ভয়াল আকার ধারণ করতে পারে।  সেই ক্ষেত্রে শুধু চিকিৎসক বললেই বাড়িতে দেখাশোনা হতে পারে করোনা রোগীর।

এই নয়া গাইডলাইনস আসার পরে ১০ মে-র নির্দেশিকাটি বাতিল হয়ে গেল। এটির আওতায় আনা হয়েছে অ্যাসিমপটোম্যাটিক পজিটিভ কেসগুলিও। অর্থাৎ যারা করোনা পজিটিভ কিন্তু শরীরে কোনও চিহ্ন নেই, তাদের কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই নির্দেশিকায়। এর আগেরটায় শুধু যাদের শরীরে অল্প লক্ষণ আছে তাদের জন্য নিয়ম বলা ছিল। অনেক মানুষই করোনা পজিটিভ হচ্ছেন, কিন্তু শরীরে কোনও চিহ্ন নেই। তাদের আরও ভালো ভাবে মেডিক্যাল সাহায্য দেওয়ার জন্য এই বদল আনা হল নির্দেশিকায়।

যাদের হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে, তাদের কীভাবে দেখভাল করা হবে সেটাও দেওয়া আছে নির্দেশিকায়। সেটার মোতাবেক প্রতিদিন একনয় কেউ রোগীকে গিয়ে দেখে আসবেন নয়তো ফোনে জিজ্ঞেস করা হবে। তাপমাত্রা, পালস রেট ও অক্সিজেন স্যাচুরেশনের মাত্রা কল সেন্টার থেকে ফোন করলে জানাতে হবে প্রতিদিন। স্বাস্থ্য দফতরেরে ফিল্ড অপারেটর গিয়ে বুঝিয়ে আসবে কীভাবে এই তিনটে জিনিসকে পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

যারা হোম আইসোলেশনে আছেন তাদের শারীরিক অবস্থার রেকর্ড কোভিড পোর্টালে আপডেট করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। জেলা প্রশাসনকে নজরদারি করতে হবে ঠিক করে কাজ হচ্ছে কি না এই নিয়ে ।

যদি এই নজরদারিতে গাফিলতি হয়, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। একই সঙ্গে বাড়িতে কেউ যদি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাদের হাসপাতালে শিফ্ট করার দায়িত্বও বর্তেছে জেলা প্রশাসনের ওপর। কোনও রোগী করোনা পজিটিভ হয়ে বাড়িতে থাকলে তাঁর ঘনিষ্ঠ কন্ট্যাক্ট যারা ও বাড়ির লোকজন, সবার করোনা পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সুত্র :- হিন্দুস্তান টাইমস।