চৌগাছা সংবাদদাতা :/= যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাজরা খানা ও পাতিবিলা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া কপোতাক্ষ নদের উপর বাঁশের সাকো নির্মাণ করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান ড. মোস্তানিছুর রহমান।এতে দুই পাড়ের দুই গ্রামসহ এলাকার কয়েক হাজার মানুুষের অনেক কষ্ট লাঘব হচ্ছে । প্রায় ২শ’ ফুট দীর্ঘ একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে।
নদের দুই পাড়ের মানুষের সেতু বন্ধনের একমাত্র অবলম্বন ছিল নৌকা। সময়ের পালা বদলে বন্ধ হয়ে যায় নৌকা চলাচল। এলাকাবাসি তাদের নিজ প্রয়োজনে এখানে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে একটি সাঁকো তৈরি করে। পারাপারের জন্য সাঁকোটি দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবহার হয়ে আসছিল। কিন্তু এলাকার কয়েকজন অসাধু মানুুষ রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে সাঁকো পারাপারে টোল আদায় করত। সম্প্রতি চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজিবের হস্তক্ষেপে টোল আদায় বন্ধ হয়ে যায়। এর পরে রাতের আঁধারে অসাধু চক্রটি সাঁকোটি ভেঙে নিয়ে যায়। বিপাকে পড়ে যায় এলাকার মানুষ।
বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যানের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি এডিপির ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে সাঁকোটি কাঠ ও বাঁশ দিয়ে পুনঃনির্মাণ করেন। প্রায় একমাস ধরে নির্মাণ কাজ শেষে গতকাল বুধবার সাঁকোটি সবার চলাচলের জন্য উš§ুক্ত করে দেয়া হয়।
বুধবার দুপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান ড. মোস্তানিচুর রহমান সাঁকোটি উদ্বোধন করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম, চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজিব, পৌর মেয়র নুর উদ্দীন আল মামুন হিমেল, কাউন্সিলর শাহিনুর রহমান শাহিন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মিলনসহ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিবর্গ ও জনসাধারণ।
এসময় স্থানীয়রা জানান, সাঁকোটি নির্মাণের ফলে নদের ওপারের দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের সমস্যায় থাকা প্রায় ২০ হাজার লোক এ সাঁকোর ওপর দিয়ে চলাচল করতে পারবে। বিশেষ করে এখানে বলুহ দেওয়ান (রহ) মেলার সময় ৫ লক্ষাধিক মানুষ এই সাাঁকো দিয়ে চলা করবে।
আর এ নদের ওপর সেতু না থাকায় ওই এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষকে যাতায়াতের জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বর্ষা মৌসুমে এ নদ ভেলায় চড়ে পারাপার হতে হয়েছে এলাকাবাসীর। আবার যোগাযোগ রক্ষার জন্য কখনও হাঁটু ও কোমর পানি ভিজিয়ে নদ পাড়ি দিতে হয়েছে। কিংবা এর বিকল্প হিসেবে ৫/৬ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে তাদের উপজেলা শহর, হাটবাজার ও স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে হয়েছে। সেতুটি নির্মাণ কাজে সহযোগিতা করায় উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, এলাকার মানুষের উদ্যোগ দেখে আমি অভিভূত। আমি কিছু টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছি এলাকার মানুষের স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো হল। বাঁশের সাঁকো স্থায়ী সমাধান নয়। এখন সরকারিভাবে এখানে একটি সেতু দরকার। এজন্য আমি চেষ্টা করব।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho