শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২১ জুলাই শহিদ দিবসে ভার্চুয়াল সমাবেশের ডাক পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ:/=

২১ জুলাই শহিদ দিবস উদযাপনে এবার ভার্চুয়াল মাধ্যমকেই বেছে নিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! ওই বিশেষ দিনটি উপলক্ষ্যে ভার্চুয়াল জনসভায় বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস দল প্রতিবছর এই দিনটি পালন করে আসছে। এই বছরের ২১ জুলাই একটি মেগা ইভেন্ট হওয়ার কথা ছিল যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তাঁর প্রচার প্রচার শুরু করবেন বলে আশা করা হয়েছিল। দুপুর ২ টোয় ফেসবুকের মাধ্যমে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই প্রচার শুরু করবেন বলে জানা গেছে। তবে পুরো প্রক্রিয়াই হবে ভার্চুয়াল।

শুক্রবার বিকেলে দলীয় নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা এইবার ২১ জুলাই ময়দানে সমাবেশ করতে পারব না। তবে সেদিন দুপুর ২ টোয় আমি সবাইকে সম্বোধন করব। মানুষজনকে দুপুর ১ টা থেকে বুথ স্তরে সমবেত হতে হবে, প্রতিটি বুথে প্রায় ৩০ জন মানুষ থাকতে পারবেন। আপনারা পতাকা উত্তোলন করবেন, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন এবং দুপুর ২ টো থেকে তিনটে পর্যন্ত আমি কথা বলব।” বাংলায় প্রায় ৮০,০০০ বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথে ৩০ জন মানুষ জড়ো হলেই প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ ওই সমাবেশে অংশ নিতে পারবেন।

তৃণমূল সুপ্রিমো এই প্রথম কোনও সমাবেশ করার জন্য ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করবেন। বিজেপি অবশ্য ইতিমধ্যেই এমন ছয়টি ভার্চুয়াল সমাবেশ করে ফেলেছে। প্রথম ভার্চুয়াল সমাবেশ বক্তব্য রাখেন বিজেপি নেতা তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি দাবি করেছিল যে তারা সারা বাংলায় ৭০,০০০ টেলিভিশন সেট স্থাপন করেছিল যাতে সাধারণ মানুষ অমিত শাহের সমাবেশে অংশ নিতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য ওই সমাবেশের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন, “তৃণমূলের এমন টাকাপয়সা নেই।” প্রতি বছর ২১ জুলাই, তৃণমূল কংগ্রেস ঐতিহ্য বজায় রেখে কলকাতায় একটি বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে যাতে কলকাতা ও জেলা থেকে কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষ অংশ নেন। বছর দুই ধরে এই শহিদ দিবসের সমাবেশ মধ্য কলকাতার ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে আয়োজন করা হচ্ছে, যার ফলে প্রায় এক কিলোমিটার ধরে চৌরঙ্গি রোড বন্ধ থাকে।

কয়েক বছর আগে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ময়দানে অর্থাৎ ব্রিগেডের ময়দানে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এতে আনুমানিক ১০ লক্ষ মানুষ অংশ নিতে পারেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

২১ জুলাই শহিদ দিবসে ভার্চুয়াল সমাবেশের ডাক পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০

আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ:/=

২১ জুলাই শহিদ দিবস উদযাপনে এবার ভার্চুয়াল মাধ্যমকেই বেছে নিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! ওই বিশেষ দিনটি উপলক্ষ্যে ভার্চুয়াল জনসভায় বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস দল প্রতিবছর এই দিনটি পালন করে আসছে। এই বছরের ২১ জুলাই একটি মেগা ইভেন্ট হওয়ার কথা ছিল যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তাঁর প্রচার প্রচার শুরু করবেন বলে আশা করা হয়েছিল। দুপুর ২ টোয় ফেসবুকের মাধ্যমে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই প্রচার শুরু করবেন বলে জানা গেছে। তবে পুরো প্রক্রিয়াই হবে ভার্চুয়াল।

শুক্রবার বিকেলে দলীয় নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা এইবার ২১ জুলাই ময়দানে সমাবেশ করতে পারব না। তবে সেদিন দুপুর ২ টোয় আমি সবাইকে সম্বোধন করব। মানুষজনকে দুপুর ১ টা থেকে বুথ স্তরে সমবেত হতে হবে, প্রতিটি বুথে প্রায় ৩০ জন মানুষ থাকতে পারবেন। আপনারা পতাকা উত্তোলন করবেন, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন এবং দুপুর ২ টো থেকে তিনটে পর্যন্ত আমি কথা বলব।” বাংলায় প্রায় ৮০,০০০ বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথে ৩০ জন মানুষ জড়ো হলেই প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ ওই সমাবেশে অংশ নিতে পারবেন।

তৃণমূল সুপ্রিমো এই প্রথম কোনও সমাবেশ করার জন্য ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করবেন। বিজেপি অবশ্য ইতিমধ্যেই এমন ছয়টি ভার্চুয়াল সমাবেশ করে ফেলেছে। প্রথম ভার্চুয়াল সমাবেশ বক্তব্য রাখেন বিজেপি নেতা তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি দাবি করেছিল যে তারা সারা বাংলায় ৭০,০০০ টেলিভিশন সেট স্থাপন করেছিল যাতে সাধারণ মানুষ অমিত শাহের সমাবেশে অংশ নিতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য ওই সমাবেশের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন, “তৃণমূলের এমন টাকাপয়সা নেই।” প্রতি বছর ২১ জুলাই, তৃণমূল কংগ্রেস ঐতিহ্য বজায় রেখে কলকাতায় একটি বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে যাতে কলকাতা ও জেলা থেকে কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষ অংশ নেন। বছর দুই ধরে এই শহিদ দিবসের সমাবেশ মধ্য কলকাতার ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে আয়োজন করা হচ্ছে, যার ফলে প্রায় এক কিলোমিটার ধরে চৌরঙ্গি রোড বন্ধ থাকে।

কয়েক বছর আগে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ময়দানে অর্থাৎ ব্রিগেডের ময়দানে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এতে আনুমানিক ১০ লক্ষ মানুষ অংশ নিতে পারেন।