মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে দ. কোরিয়া

মাহবুবুল আলম টুটুল:/=

করোনা মহামারি মোকাবিলায় বাজেটে সহায়তা হিসেবে জুন মাসে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইউআরডি) এক চিঠিতে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫ কোটি ডলার (প্রায় ৪৩০ কোটি টাকা) ঋণ চেয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। আগস্ট মাসে এ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঋণচুক্তির কিছু নিয়মকানুন আছে, সেগুলো সম্পন্ন হলেই চুক্তি সই হবে।

ইআরডি সূত্র জানায়, সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় সহায়তার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ঋণ চাওয়া হয়। তবে বাংলাদেশ চাইলে অন্য যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজে ওই ঋণের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে। দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘ইকোনোমি ডেভলপমেন্ট কো-অপারেশন ফার্ম’র (ইডিসিএফ) ‘ইডিসিএফ প্রোগ্রাম লোন ফর কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রোগ্রাম অব বাংলাদেশ’-এর আওতায় এ ঋণ দেয়া হবে। নমনীয় এ ঋণের সুদ হার সবচেয়ে কম, ০.০১ শতাংশ।

এ বিষয়ে ইআরডির উপ-সচিব (দক্ষিণ কোরিয়া) এস এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আমরা দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ঋণ প্রস্তাব করেছিলাম। তারা রাজি হয়েছে। খুব শিগগরই চুক্তি সই হবে। শুধু করোনা মোকাবিলা নয়, বাংলাদেশ সরকার যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজে এই ঋণ ব্যবহার করতে পারবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে দ. কোরিয়া

প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০

মাহবুবুল আলম টুটুল:/=

করোনা মহামারি মোকাবিলায় বাজেটে সহায়তা হিসেবে জুন মাসে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইউআরডি) এক চিঠিতে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫ কোটি ডলার (প্রায় ৪৩০ কোটি টাকা) ঋণ চেয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। আগস্ট মাসে এ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঋণচুক্তির কিছু নিয়মকানুন আছে, সেগুলো সম্পন্ন হলেই চুক্তি সই হবে।

ইআরডি সূত্র জানায়, সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় সহায়তার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ঋণ চাওয়া হয়। তবে বাংলাদেশ চাইলে অন্য যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজে ওই ঋণের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে। দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘ইকোনোমি ডেভলপমেন্ট কো-অপারেশন ফার্ম’র (ইডিসিএফ) ‘ইডিসিএফ প্রোগ্রাম লোন ফর কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রোগ্রাম অব বাংলাদেশ’-এর আওতায় এ ঋণ দেয়া হবে। নমনীয় এ ঋণের সুদ হার সবচেয়ে কম, ০.০১ শতাংশ।

এ বিষয়ে ইআরডির উপ-সচিব (দক্ষিণ কোরিয়া) এস এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আমরা দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ঋণ প্রস্তাব করেছিলাম। তারা রাজি হয়েছে। খুব শিগগরই চুক্তি সই হবে। শুধু করোনা মোকাবিলা নয়, বাংলাদেশ সরকার যে কোনো উন্নয়নমূলক কাজে এই ঋণ ব্যবহার করতে পারবে।