বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ দেশটাকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বলে মনে করে: রুহুল কবির রিজভী

আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান:/=

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশটাকে পৈত্রিক সম্পত্তি বলে মনে করে। সেজন্য দম্ভ ও গর্বে তাদের পা মাটিতে পড়ে না। তাই বাকশালের বেওয়ারিশ লাশকেই কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় তারা।

রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের নিজস্ব একটা স্টাইল আছে, সেটি হচ্ছে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে সহ্য না করা। তাদের ঐতিহ্য হচ্ছে ছলেবলে কৌশলে ক্ষমতায় এসে গণতন্ত্রের আলোকে কেড়ে নিয়ে নিজেদের দলীয় শাসনকে রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা। এখানে ভিন্ন দল ও মতের অস্তিত্বকে তারা কোনো ক্রমেই মেনে নিতে পারে না। তারা মনে করে আওয়ামী লীগ ও রাষ্ট্র অভিন্ন একটি সত্ত্বা। তাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই তারা মনে করে দেশের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা।

ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সুশাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা আর আওয়ামী লীগ একসঙ্গে চলতে পারে না। মুঢ় অহমিকা ও মিথ্যা প্রচারে এরা আক্রান্ত। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে মানুষের কাছে নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উপস্থাপন করে তারা।

আওয়ামী লীগ কোনোদিনই সহিষ্ণুতার শিক্ষা গ্রহণ করেনি। মুলত: দুর্নীতির বহু দৈত্যকার কেলেংকারীর কথা যেন মানুষ জানতে না পারে এই জন্যই মুক্ত চিন্তার মানুষদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। শাসকের বিরোধীতা করার অর্থ রাষ্ট্রের বিরোধীতা করা নয়, আর এজন্য নিরাপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মত ড্রাকোনিয়ান আইন প্রয়োগ করা গুরুত্বর অন্যায় ও পাপ। সুত্র –যুগান্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

আওয়ামী লীগ দেশটাকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বলে মনে করে: রুহুল কবির রিজভী

প্রকাশের সময় : ০৯:১২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০

আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান:/=

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশটাকে পৈত্রিক সম্পত্তি বলে মনে করে। সেজন্য দম্ভ ও গর্বে তাদের পা মাটিতে পড়ে না। তাই বাকশালের বেওয়ারিশ লাশকেই কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় তারা।

রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের নিজস্ব একটা স্টাইল আছে, সেটি হচ্ছে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে সহ্য না করা। তাদের ঐতিহ্য হচ্ছে ছলেবলে কৌশলে ক্ষমতায় এসে গণতন্ত্রের আলোকে কেড়ে নিয়ে নিজেদের দলীয় শাসনকে রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা। এখানে ভিন্ন দল ও মতের অস্তিত্বকে তারা কোনো ক্রমেই মেনে নিতে পারে না। তারা মনে করে আওয়ামী লীগ ও রাষ্ট্র অভিন্ন একটি সত্ত্বা। তাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই তারা মনে করে দেশের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা।

ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সুশাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা আর আওয়ামী লীগ একসঙ্গে চলতে পারে না। মুঢ় অহমিকা ও মিথ্যা প্রচারে এরা আক্রান্ত। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে মানুষের কাছে নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উপস্থাপন করে তারা।

আওয়ামী লীগ কোনোদিনই সহিষ্ণুতার শিক্ষা গ্রহণ করেনি। মুলত: দুর্নীতির বহু দৈত্যকার কেলেংকারীর কথা যেন মানুষ জানতে না পারে এই জন্যই মুক্ত চিন্তার মানুষদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। শাসকের বিরোধীতা করার অর্থ রাষ্ট্রের বিরোধীতা করা নয়, আর এজন্য নিরাপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মত ড্রাকোনিয়ান আইন প্রয়োগ করা গুরুত্বর অন্যায় ও পাপ। সুত্র –যুগান্তর