বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন মঙ্গলবার করোনার জন্য বাড়তি প্রস্তুতি

তানজীর মহসিন অংকন:/=

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যশোর-৬ সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন। ইতিমধ্যে উপজেলার ৩৭৪টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট, ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী উপকরণ পৌঁছে গেছে। এই নির্বাচনী এলাকায় দুই লাখ তিন হাজার ১৮ জন ভোটার রয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে আসনটিতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার ও লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান হাবিব।

নতুন করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় মাঠে নামেননি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন আজাদ। তবে আগের তফসিলে নির্বাচন হওয়ায় ব্যালটে প্রতীকটি থাকছে। নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে সোমবার থেকে মাঠে নেমেছে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

যশোর জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য নিয়োজিত থাকছেন। নির্বাচনী এলাকায় দুইজন জুডিশিয়াল ও ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। ১৮টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের ছয়টি টিম নির্বাচনের মাঠে সার্বক্ষণিক কাজ করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের নিয়োজিত রাখা হবে।

এছাড়া নির্বাচন কমিশন ভোটারদের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যানারসহ হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান, টিস্যু পেপারের ব্যবস্থা রেখেছে।

যশোর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে এলাকায় টহল দিচ্ছে। এই আসনের ৩৭৪টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স, সিলসহ সব সরঞ্জাম পৌঁছে দেয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোট উপহার দিতে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পাঁচজন করে পুলিশ সদস্য ও ১২ জন আনসার সদস্য থাকবে। নির্বিঘ্নে ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে পারবেন।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়। এরপর বিজ্ঞপ্তি জারি করে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৯ মার্চ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত থাকলেও তার এক সপ্তাহ আগে করোনার কারণে ২২ মার্চ ওই নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন মঙ্গলবার করোনার জন্য বাড়তি প্রস্তুতি

প্রকাশের সময় : ১১:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০

তানজীর মহসিন অংকন:/=

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যশোর-৬ সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন। ইতিমধ্যে উপজেলার ৩৭৪টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট, ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী উপকরণ পৌঁছে গেছে। এই নির্বাচনী এলাকায় দুই লাখ তিন হাজার ১৮ জন ভোটার রয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে আসনটিতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার ও লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান হাবিব।

নতুন করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় মাঠে নামেননি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন আজাদ। তবে আগের তফসিলে নির্বাচন হওয়ায় ব্যালটে প্রতীকটি থাকছে। নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে সোমবার থেকে মাঠে নেমেছে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

যশোর জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য নিয়োজিত থাকছেন। নির্বাচনী এলাকায় দুইজন জুডিশিয়াল ও ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। ১৮টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের ছয়টি টিম নির্বাচনের মাঠে সার্বক্ষণিক কাজ করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের নিয়োজিত রাখা হবে।

এছাড়া নির্বাচন কমিশন ভোটারদের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যানারসহ হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান, টিস্যু পেপারের ব্যবস্থা রেখেছে।

যশোর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে এলাকায় টহল দিচ্ছে। এই আসনের ৩৭৪টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স, সিলসহ সব সরঞ্জাম পৌঁছে দেয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোট উপহার দিতে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পাঁচজন করে পুলিশ সদস্য ও ১২ জন আনসার সদস্য থাকবে। নির্বিঘ্নে ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে পারবেন।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়। এরপর বিজ্ঞপ্তি জারি করে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৯ মার্চ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত থাকলেও তার এক সপ্তাহ আগে করোনার কারণে ২২ মার্চ ওই নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।