রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দ্রুত এগিয়ে চলেছে বঙ্গবন্ধু ট্রাইটাওয়ারের নির্মাণ কাজ

নুরুজ্জামান লিটন #

ঢাকার পূর্বাচলে শুরু হয়েছে দেশের আইকনিক বঙ্গবন্ধু ট্রাইটাওয়ারের পাইলিংসহ নির্মাণ কাজ।  বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় পাওয়ারপ্যাক হোল্ডিংস লিমিটেডের চেয়ারম্যান রিক হক সিকদার প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি এক্সপার্টদের নিয়ে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

নির্মিতব্য আইকনিক টাওয়ারে প্রতিফলিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমাদের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিতে ৫২ তলা ভবন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে গড়ে তোলা হচ্ছে ৭১ তলা ভবন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লিগ্যাসি স্মরণে ৯৬ তলায় মিউজিয়ামসহ গড়ে উঠবে দেশের বৃহত্তম ১১১তলা ভবন। এই তিনটি আইকনিক ভবনের একত্রে নাম দেয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু ট্রাইটাওয়ার।

পূর্বাচল সেন্ট্রাল বিজনেজ ডিস্ট্রিক নামে রাজউকের আইকনিক টাওয়ার নির্মাণের কাজটি দরপত্রের মাধ্যমে শিকদার গ্রুপ ও জাপানের কাজিমা কর্পোরেশন যৌথভাবে নির্বাচিত হয়।

ইতোমধ্যে প্রকল্পের মাটি পরীক্ষা, যানবাহন ব্যাবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সমীক্ষা প্রতিবেদন রাজউকে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের খসড়া মাস্টারপ্লান ও ডিজাইন রাজউক এ জমা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি স্মার্ট ও নান্দনিক আইকনিক টাওয়ারের এই ডিজাইনের জন্য রাজউক আন্তর্জাতিক একটি পুরস্কার লাভ করে।

পরিবেশবান্ধব এই ভবনসমূহে পুরো ওয়ালজুড়ে লাগানো হবে বিশ্বের সর্বাধুনিক সোলার গ্লাস। আধুনিক বর্জ্য ব্যাবস্থা, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও বিভিন্ন ইউটিলিটির জন্য করা হবে কমন ডাক্ট ব্যাবস্থা। গ্রিন ভবনসমূহের বাউন্ডারি ওয়ালে চিনের গ্রেট ওয়ালের আদলে গড়ে তোলা হবে ওয়াকওয়ে! সেই সাথে অভ্যন্তরীন যাতায়াতের জন্য পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রনিক বাস এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াকওয়েও থাকবে।

এই ঐতিহাসিক টাওয়ারের আর্কিটেক্ট হিসেবে পৃথিবী বিখ্যাত হেরিম আর্কিটেক্ট কাজ করছে। হেরিম পৃথিবীর সেরা সাতটি’র একটি এবং কোরিয়ার শ্রেষ্ঠ আর্কিটেক্ট প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ারের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে প্রাথমিক কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে আসেন।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব, রাজউক চেয়ারম্যান, গণপূর্তের প্রধান আর্কিটেক্ট, চিফ ইন্জিনিয়ার এবং প্রকল্প পরিচালক তার সঙ্গে ছিলেন।

আইকনিক ভবন সমূহের পাইলিংসহ আজ থেকে পুরোদমে শুরু হলো পূর্বাচলের ১৯ নম্বর সেক্টরের ১১১ নম্বর রোডের পাশে প্রকল্পের ৯০ হাজার বর্গফুট আয়তনের অস্থায়ী কার্যালয়ের নির্মাণ কাজ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশকে সোনার বাংলা করা -শেখ আফিল উদ্দিন, এমপি

দ্রুত এগিয়ে চলেছে বঙ্গবন্ধু ট্রাইটাওয়ারের নির্মাণ কাজ

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০

নুরুজ্জামান লিটন #

ঢাকার পূর্বাচলে শুরু হয়েছে দেশের আইকনিক বঙ্গবন্ধু ট্রাইটাওয়ারের পাইলিংসহ নির্মাণ কাজ।  বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় পাওয়ারপ্যাক হোল্ডিংস লিমিটেডের চেয়ারম্যান রিক হক সিকদার প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি এক্সপার্টদের নিয়ে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

নির্মিতব্য আইকনিক টাওয়ারে প্রতিফলিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমাদের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিতে ৫২ তলা ভবন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে গড়ে তোলা হচ্ছে ৭১ তলা ভবন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লিগ্যাসি স্মরণে ৯৬ তলায় মিউজিয়ামসহ গড়ে উঠবে দেশের বৃহত্তম ১১১তলা ভবন। এই তিনটি আইকনিক ভবনের একত্রে নাম দেয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু ট্রাইটাওয়ার।

পূর্বাচল সেন্ট্রাল বিজনেজ ডিস্ট্রিক নামে রাজউকের আইকনিক টাওয়ার নির্মাণের কাজটি দরপত্রের মাধ্যমে শিকদার গ্রুপ ও জাপানের কাজিমা কর্পোরেশন যৌথভাবে নির্বাচিত হয়।

ইতোমধ্যে প্রকল্পের মাটি পরীক্ষা, যানবাহন ব্যাবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সমীক্ষা প্রতিবেদন রাজউকে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের খসড়া মাস্টারপ্লান ও ডিজাইন রাজউক এ জমা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি স্মার্ট ও নান্দনিক আইকনিক টাওয়ারের এই ডিজাইনের জন্য রাজউক আন্তর্জাতিক একটি পুরস্কার লাভ করে।

পরিবেশবান্ধব এই ভবনসমূহে পুরো ওয়ালজুড়ে লাগানো হবে বিশ্বের সর্বাধুনিক সোলার গ্লাস। আধুনিক বর্জ্য ব্যাবস্থা, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও বিভিন্ন ইউটিলিটির জন্য করা হবে কমন ডাক্ট ব্যাবস্থা। গ্রিন ভবনসমূহের বাউন্ডারি ওয়ালে চিনের গ্রেট ওয়ালের আদলে গড়ে তোলা হবে ওয়াকওয়ে! সেই সাথে অভ্যন্তরীন যাতায়াতের জন্য পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রনিক বাস এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াকওয়েও থাকবে।

এই ঐতিহাসিক টাওয়ারের আর্কিটেক্ট হিসেবে পৃথিবী বিখ্যাত হেরিম আর্কিটেক্ট কাজ করছে। হেরিম পৃথিবীর সেরা সাতটি’র একটি এবং কোরিয়ার শ্রেষ্ঠ আর্কিটেক্ট প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ারের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে প্রাথমিক কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে আসেন।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব, রাজউক চেয়ারম্যান, গণপূর্তের প্রধান আর্কিটেক্ট, চিফ ইন্জিনিয়ার এবং প্রকল্প পরিচালক তার সঙ্গে ছিলেন।

আইকনিক ভবন সমূহের পাইলিংসহ আজ থেকে পুরোদমে শুরু হলো পূর্বাচলের ১৯ নম্বর সেক্টরের ১১১ নম্বর রোডের পাশে প্রকল্পের ৯০ হাজার বর্গফুট আয়তনের অস্থায়ী কার্যালয়ের নির্মাণ কাজ।