রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকারের ওপর দায় চাপাচ্ছে বিএনপি: কাদের

সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ#

বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার, নির্বাচন ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন ও সংসদের ওপর দায় চাপাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার সাউথ এশিয়া সাব রিজিওনাল ইকোনোমিক কো-অপারেশন-সাসেক এর আওতায় প্রথম ও দ্বিতীয় প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ অভিযোগ করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সভায় যুক্ত হন।

সংসদের কার্যক্রম নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের তোলা বক্তব্যের প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির সংসদ সদস্যরা পার্লামেন্টে নিয়মিত কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন। সে হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা প্রতিদিন তেমন সুযোগ পাচ্ছেন না। সংসদে বিএনপির সদস্য সংখ্যা কম, জনগণ তাদের ভোট দেয়নি, সে দোষ কি সরকারের নাকি পার্লামেন্টের? বরং অল্প সংখ্যক সদস্য থাকলেও বিএনপির এমপিরা নিয়মিত কথা বলছেন এবং তা গণমাধ্যমেও বেশি আসছে।

তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েও সংসদে অংশ না নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দ্বিচারিতা করেছেন। আর নির্বাচন যদি একপেশে হয়ে থাকে তাহলে মির্জা ফখরুল জয় পেয়েছিলেন কীভাবে? শক্তিশালী বিরোধী দল সংসদীয় রাজনীতি এবং গণতন্ত্রের বিকাশে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এদেশের রাজনীতিতে আন্দোলনে ব্যর্থ হলে পরবর্তী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার কোনও রেকর্ড নেই। নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের নেতিবাচক রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর সঙ্গে অতি সখ্যতার জন্য। জনগণ তাদের ভোট দেয়নি বলেই সংসদে তাদের প্রতিনিধি এতো কম। মির্জা খফরুল নির্বাচিত হয়েও সংসদে যাননি। কেন জনগণ তাদের ভোট দেবেন তা খুঁজে দেখার আহ্বান জানাই।

সংসদে বিএনপির এক সদস্যের প্রশ্ন পাল্টে দেয়ার অভিযোগের জবাবে কাদের বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় আওয়ামী লীগকে সংসদে কথা বলতে দেয়া হয়নি। আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যের সংসদে কথা বলার সময় মাইক বন্ধ করে দেয়া হয়। সংসদ সদস্য শাহ এ এস এম কিবরিয়াকে বোমা মারা হলে তাকে আনার জন্য হেলিকপ্টার যেতে বাধা দেয়া হয়। সেসব কি বিএনপি ভুলে গেছে?

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দেশে চলমান প্রকল্পসমূহে দায়িত্বপ্রাপ্তদের যার যার অবস্থানে থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুমকি দেন তিনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশকে সোনার বাংলা করা -শেখ আফিল উদ্দিন, এমপি

নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকারের ওপর দায় চাপাচ্ছে বিএনপি: কাদের

প্রকাশের সময় : ১০:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০

সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ#

বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার, নির্বাচন ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন ও সংসদের ওপর দায় চাপাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার সাউথ এশিয়া সাব রিজিওনাল ইকোনোমিক কো-অপারেশন-সাসেক এর আওতায় প্রথম ও দ্বিতীয় প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ অভিযোগ করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সভায় যুক্ত হন।

সংসদের কার্যক্রম নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের তোলা বক্তব্যের প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির সংসদ সদস্যরা পার্লামেন্টে নিয়মিত কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন। সে হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা প্রতিদিন তেমন সুযোগ পাচ্ছেন না। সংসদে বিএনপির সদস্য সংখ্যা কম, জনগণ তাদের ভোট দেয়নি, সে দোষ কি সরকারের নাকি পার্লামেন্টের? বরং অল্প সংখ্যক সদস্য থাকলেও বিএনপির এমপিরা নিয়মিত কথা বলছেন এবং তা গণমাধ্যমেও বেশি আসছে।

তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েও সংসদে অংশ না নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দ্বিচারিতা করেছেন। আর নির্বাচন যদি একপেশে হয়ে থাকে তাহলে মির্জা ফখরুল জয় পেয়েছিলেন কীভাবে? শক্তিশালী বিরোধী দল সংসদীয় রাজনীতি এবং গণতন্ত্রের বিকাশে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এদেশের রাজনীতিতে আন্দোলনে ব্যর্থ হলে পরবর্তী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার কোনও রেকর্ড নেই। নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের নেতিবাচক রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর সঙ্গে অতি সখ্যতার জন্য। জনগণ তাদের ভোট দেয়নি বলেই সংসদে তাদের প্রতিনিধি এতো কম। মির্জা খফরুল নির্বাচিত হয়েও সংসদে যাননি। কেন জনগণ তাদের ভোট দেবেন তা খুঁজে দেখার আহ্বান জানাই।

সংসদে বিএনপির এক সদস্যের প্রশ্ন পাল্টে দেয়ার অভিযোগের জবাবে কাদের বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় আওয়ামী লীগকে সংসদে কথা বলতে দেয়া হয়নি। আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যের সংসদে কথা বলার সময় মাইক বন্ধ করে দেয়া হয়। সংসদ সদস্য শাহ এ এস এম কিবরিয়াকে বোমা মারা হলে তাকে আনার জন্য হেলিকপ্টার যেতে বাধা দেয়া হয়। সেসব কি বিএনপি ভুলে গেছে?

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দেশে চলমান প্রকল্পসমূহে দায়িত্বপ্রাপ্তদের যার যার অবস্থানে থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুমকি দেন তিনি।