রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপরে

নুরুজ্জামান লিটন #

উজানে ভারী বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বেড়েছে তিস্তার পানি। বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার (৫২ দশমিক ৬০ মিটার) ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, উজানে ভারী বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি ঢলে বুধবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বাড়তে থাকে। বেলা ৩টার দিকে সেখানে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। ওই পয়েন্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ মিটার।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার ডিমলা উপজেলার নদী বেষ্টিত পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছচাপনী, পশ্চিমছাতনাই ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের পাঁচ হাজার পরিবার বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছে।

ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, ‘তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় আমার ইউনিয়নের আটটি চরগ্রাম বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছে। এসব গ্রামের পরিবারগুলো সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। নদীর পানি রাতে আরও বৃদ্ধি পেলে তাদের নিরাপদস্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে।’ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন,‘তিস্তার উজান ভারত অংশে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বুধবার দুপুর থেকে বাড়তে থাকে তিস্তা নদীর পানি। যা সন্ধ্যা ৬টায় আরও বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাতে আরও কিছুটা পানি বাড়তে পারে। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পানি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের সব কটি জলকপাট (৪৪) খুলে রাখা হয়েছে’।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশকে সোনার বাংলা করা -শেখ আফিল উদ্দিন, এমপি

নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপরে

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

নুরুজ্জামান লিটন #

উজানে ভারী বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বেড়েছে তিস্তার পানি। বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার (৫২ দশমিক ৬০ মিটার) ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, উজানে ভারী বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি ঢলে বুধবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বাড়তে থাকে। বেলা ৩টার দিকে সেখানে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। ওই পয়েন্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ মিটার।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার ডিমলা উপজেলার নদী বেষ্টিত পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছচাপনী, পশ্চিমছাতনাই ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের পাঁচ হাজার পরিবার বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছে।

ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, ‘তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় আমার ইউনিয়নের আটটি চরগ্রাম বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছে। এসব গ্রামের পরিবারগুলো সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। নদীর পানি রাতে আরও বৃদ্ধি পেলে তাদের নিরাপদস্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে।’ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন,‘তিস্তার উজান ভারত অংশে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বুধবার দুপুর থেকে বাড়তে থাকে তিস্তা নদীর পানি। যা সন্ধ্যা ৬টায় আরও বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাতে আরও কিছুটা পানি বাড়তে পারে। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পানি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের সব কটি জলকপাট (৪৪) খুলে রাখা হয়েছে’।