শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের মারা গেছেন

সাজেদুর রহমান ##

কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে।

২০১৯ সালের আগস্টে বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বলে কুয়েত কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চলতি বছরের জুলাইয়ে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বিমানে করে তাকে কুয়েত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় উড়িয়ে নিয়ে আসা হয়।

১৯২৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন শেখ সাবাহ। আধুনিক কুয়েতের পররাষ্ট্রনীতি গড়ে উঠে তার হাত ধরে।১৯৬৩ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ৪০ বছর তিনি আরব দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন শেখ সাবাহ।

২০০৬ সালে শেখ জাবের আল-সাবাহের মৃত্যুর পর তিনি দেশটির আমির হন। শেখ জাবের ছিলেন শেখ সাবাহর ভাই। ১৯৫০ সালে মারা যাওয়া তাদের বাবা শেখ আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহও ছিলেন দেশটির আমির।

মধ্যপ্রাচ্যে নানা সমস্যায় কূটনীতিক হিসেবে আমির শেখ সাবাহর ভূমিকা প্রশংসনীয়। কাতারের ওপর সৌদি আরর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ চারটি দেশের অবরোধ নিরসনে মধ্যস্থতা করেছিলেন তিনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

বাংলাদেশ ও ভারত হচ্ছে অকৃত্রিম বন্ধু: ভারতীয় হাই কমিশনার

কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের মারা গেছেন

প্রকাশের সময় : ০৯:২০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

সাজেদুর রহমান ##

কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে।

২০১৯ সালের আগস্টে বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বলে কুয়েত কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চলতি বছরের জুলাইয়ে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বিমানে করে তাকে কুয়েত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় উড়িয়ে নিয়ে আসা হয়।

১৯২৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন শেখ সাবাহ। আধুনিক কুয়েতের পররাষ্ট্রনীতি গড়ে উঠে তার হাত ধরে।১৯৬৩ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ৪০ বছর তিনি আরব দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন শেখ সাবাহ।

২০০৬ সালে শেখ জাবের আল-সাবাহের মৃত্যুর পর তিনি দেশটির আমির হন। শেখ জাবের ছিলেন শেখ সাবাহর ভাই। ১৯৫০ সালে মারা যাওয়া তাদের বাবা শেখ আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহও ছিলেন দেশটির আমির।

মধ্যপ্রাচ্যে নানা সমস্যায় কূটনীতিক হিসেবে আমির শেখ সাবাহর ভূমিকা প্রশংসনীয়। কাতারের ওপর সৌদি আরর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ চারটি দেশের অবরোধ নিরসনে মধ্যস্থতা করেছিলেন তিনি।