সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চুল,দাঁড়ি কেটেও রক্ষা হল না ধর্ষণ মামলার আসামী তারেকের

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ##
সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণ মামলার এজাহারভূক্ত আসামি তারেকুল ইসলাম তারেক নিজেকে বাঁচাতে চুল,দাঁড়ি কেটেও গ্রেফতার এরাতে আত্নগোপন করে। তবে শেষ রক্ষা হল না। র‌্যাবে জালে ধরা পরেছে। মঙ্গলবার(২৯,০৯,২০২০) সন্ধ্যায়
সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে তারেককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তারেককে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এই মামলার এজাহারভূক্ত সব আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতার তারেকুজ্জামান তারেক সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদ নগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৯ সিপিসি-৩ এর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ফয়সল জানান, গণধর্ষণের ঘটনার পর সিলেট থেকে পালিয়ে যান তারেক। পরে চুল ও দাড়ি কেটে সুনামগঞ্জের দিরাই পৌর এলাকায় আত্মগোপন করেন। তারেককে সিলেট নিয়ে আসা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় এজাহারে নাম না থাকলেও ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে আইনুদ্দিন ও রাজনের নাম প্রকাশিত হলে জড়িত সন্দেহে আইনুল ও রাজন নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।
এই মামলার অন্য আসমিদের মধ্যে গত রবিবার রাতে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
সোমবার রাত ১১টায় জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর থেকে এই মামলার আসামি মাহফুজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে কানাইঘাট থানা পুলিশ। এরআগে রোববার সকালে ছাতক থেকে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও মাধবুপর থেকে অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।  একই রাতে হবিগঞ্জ সদর থেকে মামলার এজাহারভূক্ত আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ওই রাতেই সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোঃ আইনুদ্দিন ও মোঃ রাজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৯।
গ্রেপ্তার হওয়া সকলেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরাও এ ঘটনায় আইনুদ্দিন ও রাজন জড়িত বলে জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত,গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সন্ধ্যায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা। পরে রাতে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ইতিমধ্যে এজহার নামীয় ৬আসামিসহ ৮জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ডে বসবে দুই বাংলার ভাষা প্রেমীদের মিলন মেলা -শেখ আফিল উদ্দিন, এমপি

চুল,দাঁড়ি কেটেও রক্ষা হল না ধর্ষণ মামলার আসামী তারেকের

প্রকাশের সময় : ১০:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ##
সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণ মামলার এজাহারভূক্ত আসামি তারেকুল ইসলাম তারেক নিজেকে বাঁচাতে চুল,দাঁড়ি কেটেও গ্রেফতার এরাতে আত্নগোপন করে। তবে শেষ রক্ষা হল না। র‌্যাবে জালে ধরা পরেছে। মঙ্গলবার(২৯,০৯,২০২০) সন্ধ্যায়
সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে তারেককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তারেককে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এই মামলার এজাহারভূক্ত সব আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতার তারেকুজ্জামান তারেক সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদ নগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৯ সিপিসি-৩ এর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ফয়সল জানান, গণধর্ষণের ঘটনার পর সিলেট থেকে পালিয়ে যান তারেক। পরে চুল ও দাড়ি কেটে সুনামগঞ্জের দিরাই পৌর এলাকায় আত্মগোপন করেন। তারেককে সিলেট নিয়ে আসা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় এজাহারে নাম না থাকলেও ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে আইনুদ্দিন ও রাজনের নাম প্রকাশিত হলে জড়িত সন্দেহে আইনুল ও রাজন নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।
এই মামলার অন্য আসমিদের মধ্যে গত রবিবার রাতে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
সোমবার রাত ১১টায় জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর থেকে এই মামলার আসামি মাহফুজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে কানাইঘাট থানা পুলিশ। এরআগে রোববার সকালে ছাতক থেকে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও মাধবুপর থেকে অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।  একই রাতে হবিগঞ্জ সদর থেকে মামলার এজাহারভূক্ত আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ওই রাতেই সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোঃ আইনুদ্দিন ও মোঃ রাজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৯।
গ্রেপ্তার হওয়া সকলেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরাও এ ঘটনায় আইনুদ্দিন ও রাজন জড়িত বলে জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত,গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সন্ধ্যায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা। পরে রাতে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ইতিমধ্যে এজহার নামীয় ৬আসামিসহ ৮জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।