রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাগ্নের হাতে মামা খুন

স্টাফ রিপোর্টার ##
পূর্ব শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাগ্নের দায়ের কোপে মামা মুক্তার আলী (৬০) নিহত হয়েছেন। নিহত মুক্তার চাঁদ আলীর ছেলে। খুনি মামুন (৩০) একই গ্রামের মাজহারুলের ছেলে।
শনিবার (০২ জানুয়ারি ) বিকালে যশোরের শার্শা উপজেলার অগ্রভূলাট গ্রামে এ খুনের ঘটনা ঘটে। যশোরের নাভারন সার্কেল এসপি জুয়েল ইমরান এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে,পূর্ব শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ভাগ্নে মামুনের সঙ্গে মামা মুক্তারের দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরে শনিবার বিকালে ভাগ্নে মামুন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দা দিয়ে মামা মুক্তারকে কোপ দিলে তিনি ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরন করেন।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বদরুল আলম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

বিদ্যুৎ গ্যাস ও তেলের মূল্যবৃদ্ধির ক্ষমতা পেল সরকার, বিল পাস

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাগ্নের হাতে মামা খুন

প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জানুয়ারী ২০২১
স্টাফ রিপোর্টার ##
পূর্ব শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাগ্নের দায়ের কোপে মামা মুক্তার আলী (৬০) নিহত হয়েছেন। নিহত মুক্তার চাঁদ আলীর ছেলে। খুনি মামুন (৩০) একই গ্রামের মাজহারুলের ছেলে।
শনিবার (০২ জানুয়ারি ) বিকালে যশোরের শার্শা উপজেলার অগ্রভূলাট গ্রামে এ খুনের ঘটনা ঘটে। যশোরের নাভারন সার্কেল এসপি জুয়েল ইমরান এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে,পূর্ব শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ভাগ্নে মামুনের সঙ্গে মামা মুক্তারের দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরে শনিবার বিকালে ভাগ্নে মামুন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দা দিয়ে মামা মুক্তারকে কোপ দিলে তিনি ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরন করেন।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বদরুল আলম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।