Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১মঙ্গলবার , ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সেনাবাহিনীর হুঁশিয়ারি, নেপিদোই বিক্ষোভকারীদের ওপর জলকামান

বার্তাকন্ঠ
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইদ্রিস আলী ##

বিক্ষোভের তৃতীয় দিনে জলকামান ব্যবহার করেছে মিয়ানমারের পুলিশ ও সেনাবাহিনী। ইয়াঙ্গুন ও নেপিদোতে বিক্ষোভ দমন করতে ব্যবস্থা নেয় নিরাপত্তাবাহিনী। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

সোমবার বিক্ষোভকারীদের সতর্ক করে সেনাবাহিনী বলেছে, ‘আপনারা বাড়ি চলে যান, না হলে সেনাবাহিনীর মোকাবিলা করতে হবে।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার রক্ষা বিষয়ক সংগঠন আগেই আর্জি জানিয়েছিল, ‘মিয়ানমারের সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকারকে মর্যাদা দিতেই হবে। সংযত থাকতে হবে সেনা-পুলিশকে। কোনোভাবেই বলপ্রয়োগ করা যাবে না।’

সোমবার রাজধানীতে আন্দোলনকারীদের হটাতে জলকামান প্রয়োগ করেছে সেনা-সরকার। তবু এনএলডি নেত্রী তথা স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ আটক নেতা-নেত্রীদের মুক্তি এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে জনতা অনড়ই।

শুধু এনএলডির কর্মী-সমর্থক নন, রাজধানীর রাস্তায় স্লোগান-প্ল্যাকার্ডে মুখর হন চিকিৎসক-প্রকৌশলী-শিক্ষকদেরও বড় অংশ।

জলকামানের মুখে পড়ার আগে এক সরকারি চিকিৎসক বলেন, ‘দেশের স্বার্থেই আমরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছি। বেতন কাটা যাক, তবু আমরা সরকারি চিকিৎসক-শিক্ষকরা কেউ কাজে যাব না।’

দু’দিন নেট বন্ধ থাকার পর দেশের বহু অংশে ইন্টারনেট ফিরেছে। অনলাইনেই ডাক দেওয়া হয়েছিল ধর্মঘটের। তাতেই সাড়া দিয়ে ছেলে-মেয়ে, ভাইপো-ভাইঝিকে সঙ্গে নিয়ে ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় নেমেছিলেন সো উইন। বলেন, ‘আপনারাই দেখুন, নয়া প্রজন্মও কিন্তু গণতন্ত্রের শত্রু এই সেনার শাসন চাইছে না।’

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে পথে নামে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদেরও একটা বড় অংশ। অনেকে আবার এর মধ্যে ২০০৭ এর ‘গেরুয়া বিপ্লব’ এর ছায়া দেখছেন। সেবার সেনা-শাসনের অপসারণ এবং গণতন্ত্রের দাবিতেই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা। বলা হয়, মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক সংস্কারের গতি বাড়াতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল ‘গেরুয়া বিপ্লব’।

সরকারি টিভি চ্যানেলে আজই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে একটি সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘আন্দোলনের নামে আইন ভঙ্গ করলে কড়া পদক্ষেপ করবে প্রশাসন।’

গত ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এদিন অভিযান চালিয়ে রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি এবং ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আটক করা হয়। দেশজুড়ে ঘোষণা করা হয় এক বছরের জরুরি অবস্থা। অপরদিকে সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে মিয়ানমারে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন সু চি সমর্থকরা। এই ডাকে সাড়া দিয়ে গত কয়েক দিন ধরে টানা বিক্ষোভ করছে জনতা।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।