
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় অনলাইনে জেডব্লিউজির সভা হবে। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ মুখ্য সহকারী সচিব সালিনা মোহাম্মদ সালি লুডিন ইমেইলে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের সভার যে আলোচ্যসূচি পাঠিয়েছেন, তাতে চারটি এজেন্ডা রয়েছে। এক নম্বরেই রয়েছে কতসংখ্যক এজেন্সি কর্মী পাঠাবে, তা নির্ধারণ। এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছে কর্মী নিয়োগের অনলাইন পদ্ধতি, বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষে নতুন চুক্তি এবং নতুন সমঝোতা স্মারক সইয়ের তারিখ।
এর আগে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। দীর্ঘ আলোচনার পর ২০১২ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় (জিটুজি) কর্মী নিতে রাজি হয়। কিন্তু এ পদ্ধতি সফল না হওয়ায় ২০১৬ সালে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে যুক্ত করে জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে দুই দেশ সমঝোতা স্মারক সই করে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এর মেয়াদ শেষ হবে।
অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি, আধুনিক জীবনযাত্রা, ভালো উপার্জন আর সাংস্কৃতিক মিল থাকায় নিরিবিলি বসবাসের স্বপ্ন নিয়ে প্রতি বছর মালয়েশিয়ায় যান অসংখ্য কর্মী। বর্তমানে দেশটিতে রয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি।
সরকারি হিসাবে, সর্বশেষ ২০১৮ সালে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৭৬ হাজার। কিন্তু ওই বছরই সেপ্টেম্বরে দেশটির নতুন সরকার কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় এবং গত বছরজুড়ে করোনাভাইরাসের কারণে সেখানে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা ছিল নামমাত্র। আবার দেশে ছুটি কাটাতে এসে সেখানে কর্মরত প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশি করোনার কারণে আটকে রয়েছেন। এসব কর্মী এখন দিন গুনছেন ফিরে যাওয়ার।
শহিদুল ইসলাম নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী বলেন, ৯৫ শতাংশ মালয়েশিয়ান প্রবাসীর ভিসা শেষ হয়ে গেছে। আমরা সরকারিভাবে সেগুলো অটোভাবে রিনিউউ করতে হবে।
চাহিদা থাকায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শ্রমবাজারটি উন্মুক্ত হলে সরকারের বেঁধে দেওয়া খরচে কর্মী পাঠানোর কথা জানান এ খাতের ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা।
বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান বলেন, যারা বর্তমানে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন তাদের বৈধ করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে করোনার কারণে যারা বাংলাদেশে অবস্থান করছেন তাদের পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
তবে, এবারের সুযোগ কাজে লাগাতে সিন্ডিকেটের ব্যাপারে সচেতন থাকার পরামর্শ তাদের।
ইস্টার্ট বে বাংলাদেশের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বাবুল বলেন, ওরা (মালয়েশিয়া) ২৫ অথবা ৩০ লাইসেন্সটা দিয়ে লোকবল নেবে। শ্রমিকরা এক লাখ ৬০ হাজার টাকার মধ্যে সেখানে যেতে পারবে। দেশটির কৃষি ও নির্মাণ খাতে প্রায় ৬ লাখ লোক পাঠানো যাবে।
সূত্রঃ সময় টিভি
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho