
আর্জেন্টিনার তদন্তকারীদের সামনে এই বক্তব্য রেখেছেন মনোবিদ গ্রিসেলদা মোরেল। বলেছেন, ‘উনি সকালে উঠে বিয়ার চাইলে সেটা ওকে দেওয়া হতো। তার দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা একজন ঘুমের ওষুধ বিয়ারে মিশিয়ে দিত যাতে উনি রাতে উঠে জ্বালাতন করতে না পারেন।
জানা গিয়েছে, ডাক্তাররা নিষেধ করা সত্ত্বেও বিয়ার এবং ওয়াইন খেতে দেওয়া হতো ম্যারাডোনাকে। তাঁর মানসিক অবস্থাও অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় ছিল। মোরেল জানিয়েছেন, ম্যারাডোনার হাতে ফোন না থাকা সত্ত্বেও একদিন তাঁকে ফোনে কথা বলতে দেখেছেন।
মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর ম্যারাডোনার ছেলে দিয়েগুইতোকে নিয়ে একদিন বুয়েন্স আয়ার্সের বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন মোরেল। বলেছেন, ‘শেষবার দেখা হওয়ার পর দিয়েগো আমাকে অভিযোগ করেছিল যে, বাথরুম উপরে হওয়ায় অসুবিধা হচ্ছে তার। ওঁকে নাকি হোস পাইপ দিয়ে গোসল করানো হচ্ছে। আরো বলেছিল, ওর থেকে টাকা চুরি করায় এক নার্সকে নাকি তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
বাথরুম উপরে থাকার ব্যাপার জানতে পেরেছিলেন ম্যারাডোনার মেয়ে। এরপরেই নিচের তলার একটি ঘরকে সাময়িকভাবে বাথরুম বানানো হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho