
চুক্তি মেনে ভারত ও চীন দুপক্ষই ফেব্রুয়ারিতে সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে নিতে একমত হয়। ভারতের অভিযোগ ছিল, চীন যেভাবে লাদাখ সীমান্ত ঘিরে রেখেছে, তা সত্যিই ভয়াবহ। সেনা সরানো হলেও এখনও আস্থার সংকটে ভুগছে নয়াদিল্লি। বেইজিং ঠিকই অনেক স্থান থেকে সেনা সরায়নি এবং নজরদারিও জারি রেখেছে বলে অভিযোগ ভারতীয় বিশ্লেষকদের।
ভারতের সিনিয়র সাংবাদিক কল্লোল ভট্টাচার্য বলেন, যে ধরনের মিলিটারি দল আমরা গত বছর ১৬ জুন দেখতে পেয়েছি, আমাদের সেনাদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেই সময়। সুতরাং সেই জিনিসগুলোকে এত তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়া সম্ভব নয় এবং সেটার একটা ছায়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পড়বে। এখন মূল কথা হচ্ছে যে আগামীতে একটা ব্রিকস সামিট ভারতে আয়োজন করা হবে সেই ব্রিকস সামিটে যদি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং অংশ নিতে আসেন তখন হয়ত বা পুরোপুরিভাবে একটা রাজনৈতিকভাবে বলা যেতে পারে একটা সম্পর্ক আবার ফিরে যেতে পারে। যতক্ষণ পর্যন্ত সেটা না হচ্ছে তখনক্ষণ পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না চায়না-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছে।
এ বিশ্লেষকের মতে, ভারত এখন রয়েছে চীনের সাইবার হামলার শঙ্কায়। এছাড়া অরুণাচলে চীনের গ্রাম তৈরির বিষয়টিও ভাবাচ্ছে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসনকে।
অনেকদিন ধরেই আলোচনা চলছে, তিব্বতের ব্রহ্মপুত্র নদে জলাধার তৈরি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন। দেশটির পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গত সপ্তাহেই উল্লেখ করা হয় ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এটি তৈরি করা হবে। নদের ওপর প্রায় ৬০ গিগাওয়াটের বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করার ক্ষমতা নিয়ে এগোনো হচ্ছে। এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে পৃথিবীর বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের তকমা পাবে এটি। যা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে ভারতে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চলতি বছর উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকস সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ভারতে এলে সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা বলবেন বলে জানা গেছে। তার আগ পর্যন্ত আস্থার সম্পর্ক ফেরা বেশ জটিলই বটে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho