
মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানও এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
জানা গেছে, অ্যাগনেস ক্ল্যামার্দ নামক ওই নারী খাশোগিকে হত্যার ঘটনায় তদন্তে নিযুক্ত। গত বছর তিনি এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার ঘোষণা দেন। আর তাতেই বাধে বিপত্তি।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ২০২০ সালে জানুয়ারি মাসে জাতিসংঘের এক সহকর্মী তাকে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হত্যার হুমকির বিষয়ে সতর্ক করেন। জাতিসংঘের ওই কর্মকর্তা বলেছিলেন, সৌদি আরবের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা দুইবার ক্ল্যামার্দকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন।
ওই সৌদি কর্মকর্তা বলেন, জাতিসংঘ যদি তার লাগাম টেনে না ধরে তাহলে তারাই তার বিষয়টি দেখবেন।
অ্যাগনেস ক্ল্যামার্দ হচ্ছেন ফ্রান্সের একজন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ। তিনি চলতি মাসেই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব পদে যোগ দেবেন।
ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার কলাম লেখক খাসোগি তার বিয়ের জন্য কাগজপত্র আনতে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে যান। সেখানে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ কেটে টুকরা টুকরা করে গায়েব করে দেওয়া হয়। তার দেহাবশেষ আর পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সৌদির ক্ষমতাসীনেরা প্রথমে খাসোগি খুন হওয়ার বিষয় পুরোপুরি অস্বীকার করে। পরে তারা স্বীকার করতে বাধ্য হয়। খাসোগিকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শুরু থেকেই সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে সন্দেহ করা হয়।
যুবরাজ এ হত্যায় তার সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন। তবে সৌদির শাসক হিসেবে তিনি এ হত্যার দায় এড়াতে পারেন না বলে স্বীকার করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho