
লকডাউনে অনেকটাই স্তব্ধ মহাব্যস্ত রাজধানী। জরুরি সেবা ছাড়া ছোট-বড় প্রায় সব প্রতিষ্ঠান ও অফিস বন্ধ। গণপরিবহনের চাকাও ঘুরছে না। তাই কাজ হারিয়ে অনিশ্চিত সময় পার করছে মহাখালীর কড়াইল বস্তির শ্রমিকরা। শ্রমিকরা বলছেন, করোনার আগে প্রতিদিন ৫-৬শ টাকা করে আয় করেছি কিন্তু এখন সেই আয় নেই।
খরচ চালাতে না পেরে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের গ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছে। যারা ঢাকায় আছে তাদের কারো কারো দিন কাটছে অনেকটাই খেয়ে না খেয়ে।
শ্রমিকরা বলছেন, টাকার অভাবে ছেলে-মেয়েদের গ্রামের বাড়ি পাঠিয়েছি। কেউ কেউ বলছেন, লকডাউনের জন্য গ্রামের বাড়িও যেতে পারছি না। আবার অনেকে বলছেন, দুই বেলা খাইলে একবেলা না খেয়ে থাকি।
গবেষণা সংস্থা সানেমের জরিপে দুই বছরের ব্যবধানে দেশে দারিদ্র্যের হার দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে ৪২ শতাংশ। আর সিপিডির তথ্য মতে, দেশের ১৬ শতাংশ মানুষের আয় কমেছে, ভাঙতে হয়েছে সঞ্চয়।
সিডিপির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলছেন, প্রান্তিক মানুষদের জন্য সাহায্যের প্যাকেজ চালুর ঘোষণা দেয়ার প্রয়োজন ছিল। সেই জায়গায় এখনও খুব ধীরগতিতে এগুচ্ছি আমরা।
লকডাউনে নিম্নআয়ের মানুষের তালিকা তৈরি করে দ্রুত সহযোগিতা নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ বিশ্লেষকদের।
সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন আরটিভি নিউজকে বলেন, প্রত্যেক শ্রমজীবীর পাশে রাষ্ট্রের দাঁড়ানো দরকার। তাদের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা দরকার, খাদ্য সহায়তা দরকার এবং পাশাপাশি তারা যেন করোনা পরবর্তীতে আবার কাজে ফিরতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় পুঁজি সরবরাহ করা দরকার।
পাশাপাশি বিপর্যস্ত দরিদ্র মানুষদের সহায়তায় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর পরিধি আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho