বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে জয় পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

আস্থা ভোটে জয় পেয়েছেন নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। রোববার দেশটির পার্লামেন্টে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

গত মে মাসে ভেঙে দেওয়া পার্লামেন্ট সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পুনর্বহাল হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই রোববার এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৭৫ বছর বয়সী দেউবা এর আগে আরও চারবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

রয়টার্স জানিয়েছে, এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম দায়িত্ব হবে করোনাভাইরাসের টিকা কেনা ও কোভিড-১৯ এর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা।

আস্থা ভোটে জয়ের পর পার্লামেন্টে দেউবা বলেছেন, ‘নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হবে কোভিডের সঙ্গে লড়াই।’

নতুন সরকার আগামী তিন মাসের মধ্যে জনগণের এক তৃতীয়াংশকে ও আগীম এপ্রিলের মধ্যে প্রত্যেক নেপালিকে টিকার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গত সোমবার সুপ্রিম কোর্ট কে. পি. শর্মা অলির জায়গায় দেউবাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আদেশ দেন। আদালতের রায়ে বলা হয়, তিন বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা অলি পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।

নেপালের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টিকে থাকতে দেউবার পার্লামেন্টের আস্থা ভোটে জয় পেতে হতো।

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে জয় পেলেন

প্রকাশের সময় : ০১:০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

আস্থা ভোটে জয় পেয়েছেন নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। রোববার দেশটির পার্লামেন্টে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

গত মে মাসে ভেঙে দেওয়া পার্লামেন্ট সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পুনর্বহাল হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই রোববার এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৭৫ বছর বয়সী দেউবা এর আগে আরও চারবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

রয়টার্স জানিয়েছে, এবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম দায়িত্ব হবে করোনাভাইরাসের টিকা কেনা ও কোভিড-১৯ এর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা।

আস্থা ভোটে জয়ের পর পার্লামেন্টে দেউবা বলেছেন, ‘নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হবে কোভিডের সঙ্গে লড়াই।’

নতুন সরকার আগামী তিন মাসের মধ্যে জনগণের এক তৃতীয়াংশকে ও আগীম এপ্রিলের মধ্যে প্রত্যেক নেপালিকে টিকার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গত সোমবার সুপ্রিম কোর্ট কে. পি. শর্মা অলির জায়গায় দেউবাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আদেশ দেন। আদালতের রায়ে বলা হয়, তিন বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা অলি পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।

নেপালের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টিকে থাকতে দেউবার পার্লামেন্টের আস্থা ভোটে জয় পেতে হতো।