শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ হাই কমিশনে ঈদুল আজহা উদযাপিত নয়া দিল্লিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নয়া দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে উৎসবের আয়োজন করা হয়। বুধবার (২১ জুলাই) রাতে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু হলে এ উৎসবের আয়োজন করে হাই কমিশন।

এতে দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং স্টাফ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান।অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। দূতাবাসের উপ হাই কমিশনার এ কে এম রকিবুল হক রাষ্ট্রপতির বাণী ও মিনিস্টার (প্রেস) শাবান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর বাণী পড়ে শোনান।

হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান বলেন, আমরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন বাংলাদেশ হচ্ছে আমাদের প্রাণ। আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

দূতাবাসের কর্মকর্তা ও স্টাফদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, দূতাবাসের সকল জাতীয় অনুষ্ঠানে আপনাদের সন্তানরা যেন উপস্থিত থাকে। এতে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। পরে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশ হাই কমিশনে ঈদুল আজহা উদযাপিত নয়া দিল্লিতে

প্রকাশের সময় : ০৭:০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নয়া দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে উৎসবের আয়োজন করা হয়। বুধবার (২১ জুলাই) রাতে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু হলে এ উৎসবের আয়োজন করে হাই কমিশন।

এতে দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং স্টাফ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান।অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। দূতাবাসের উপ হাই কমিশনার এ কে এম রকিবুল হক রাষ্ট্রপতির বাণী ও মিনিস্টার (প্রেস) শাবান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর বাণী পড়ে শোনান।

হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান বলেন, আমরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন বাংলাদেশ হচ্ছে আমাদের প্রাণ। আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

দূতাবাসের কর্মকর্তা ও স্টাফদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, দূতাবাসের সকল জাতীয় অনুষ্ঠানে আপনাদের সন্তানরা যেন উপস্থিত থাকে। এতে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। পরে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।