শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সিএমপির চার থানার কর্মকর্তাদের গায়ে বসল ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’

চট্টগ্রাম ব্যুরো।। চট্টগ্রাম মহামনগর পুলিশ-সিএমপির চারটি থানার কর্মকর্তাদের গায়ে ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ বসল। এর আগে ঢাকায় ট্রাফিক পুলিশ এই কার্যক্রম শুরু করলেও প্রথমবারের মতো থানা পর্যায়ে বডি ওর্ন ক্যামেরা কার্যক্রম চালু করল সিএমপি।

শনিবার পরীক্ষামূলকভাবে মাঠ পর্যায়ে এই কার্যক্রম শুরু করে ডবলমুরিং থানা। সিএমপির (পশ্চিম) উপ কমিশনার মো. আব্দুল ওয়ারীশ এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

উপ কমিশনার আব্দুল ওয়ারীশ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় আপাতত সিএমপির চার বিভাগের চার থানা ডবলমুরিং, কোতোয়ালী, পাঁচলাইশ এবং পতেঙ্গায় এই কার্যক্রম শুরু হলো। প্রত্যেক থানাকে সাতটি করে ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১৬ থানায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘এসব ক্যামেরা ভ্রাম্যমাণ সিসিটিভির কাজ করবে। আমাদের চোখ এড়িয়ে গেলেও এই ক্যামেরা সবকিছু রেকর্ড করে রাখবে। এই উদ্যোগ আমাদের ডিজিটালাইজেশনের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে নিবে।’

পুলিশের ভাষ্য মতে, বডি ওর্ন ক্যামেরা অডিও, ভিডিও এবং ছবি ক্যাপচার করা যায়। জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে যে কোনও স্থানে বসেই সবকিছু তদারকি করা যায়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে এই কার্যক্রম চালু হয়েছিল।

এগুলোর মাধ্যমে ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্যকারী যানবাহন ও চালক শনাক্ত, দুর্ঘটনা, কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয় বাড়াতে সড়কে দায়িত্বরত পুলিশের অনিয়ম প্রতিরোধ ও তল্লাশি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সিএমপির চার থানার কর্মকর্তাদের গায়ে বসল ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’

প্রকাশের সময় : ০৮:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১

চট্টগ্রাম ব্যুরো।। চট্টগ্রাম মহামনগর পুলিশ-সিএমপির চারটি থানার কর্মকর্তাদের গায়ে ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ বসল। এর আগে ঢাকায় ট্রাফিক পুলিশ এই কার্যক্রম শুরু করলেও প্রথমবারের মতো থানা পর্যায়ে বডি ওর্ন ক্যামেরা কার্যক্রম চালু করল সিএমপি।

শনিবার পরীক্ষামূলকভাবে মাঠ পর্যায়ে এই কার্যক্রম শুরু করে ডবলমুরিং থানা। সিএমপির (পশ্চিম) উপ কমিশনার মো. আব্দুল ওয়ারীশ এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

উপ কমিশনার আব্দুল ওয়ারীশ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় আপাতত সিএমপির চার বিভাগের চার থানা ডবলমুরিং, কোতোয়ালী, পাঁচলাইশ এবং পতেঙ্গায় এই কার্যক্রম শুরু হলো। প্রত্যেক থানাকে সাতটি করে ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১৬ থানায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘এসব ক্যামেরা ভ্রাম্যমাণ সিসিটিভির কাজ করবে। আমাদের চোখ এড়িয়ে গেলেও এই ক্যামেরা সবকিছু রেকর্ড করে রাখবে। এই উদ্যোগ আমাদের ডিজিটালাইজেশনের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে নিবে।’

পুলিশের ভাষ্য মতে, বডি ওর্ন ক্যামেরা অডিও, ভিডিও এবং ছবি ক্যাপচার করা যায়। জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে যে কোনও স্থানে বসেই সবকিছু তদারকি করা যায়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে এই কার্যক্রম চালু হয়েছিল।

এগুলোর মাধ্যমে ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্যকারী যানবাহন ও চালক শনাক্ত, দুর্ঘটনা, কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয় বাড়াতে সড়কে দায়িত্বরত পুলিশের অনিয়ম প্রতিরোধ ও তল্লাশি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়।