বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আলাদা হাসপাতালে হবে ডেঙ্গুর চিকিৎসা-স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা ব্যুরো ।।

করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণের মধ্যেই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ডেঙ্গু রোগীদের করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতে কয়েকটি হাসপাতাল নির্দিষ্ট করতে যাচ্ছে সরকার।

রবিবার (২৫ জুলাই) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত এক হাজার শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের এমন পরিস্থিতিতে নতুন সংকট তৈরি করেছে ডেঙ্গু। প্রতিদিনই হাসপাতালের বারান্দায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ‌্যা বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্তদের অনেকেই হাসপাতালে এসে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় ডেঙ্গু রোগীদের জন‌্য সুনির্দিষ্ট হাসপাতাল ব‌্যবস্থা করার পরিকল্পনা নিচ্ছি। তাই আমরা আজকে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল চিহ্নিত করেছি, যেখানে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা নেব। কারণ, যেখানে করোনা রোগীর চিকিৎসা হয়, সেখানে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, যেসব হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা করা হবে সেগুলো হচ্ছে — স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল, লালকুঠি হাসপাতাল, রেলওয়ে হাসপাতালসহ আরও কয়েকটি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা হবে। অন্যান্য হাসপাতালে জায়গা নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে এ বিষয়ে জানিয়ে দেয়া হবে। সেই অনুযায়ী আপনারা ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা নেবেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু ধরা পড়েছে ১০৫ জনের শরীরে। এর আগে শনিবার ১০৪ জন ও শুক্রবার ৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪৬০ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪৫৪ জন। অন্যান্য বিভাগে রোগী তিনজন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ শাখা থেকে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী এডিস মশা নিধনে এপ্রিলের ১ তারিখ থেকেই স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশিত সব জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া, নিয়মিত লার্ভিসাইডিং (মশার লার্ভা ধ্বংস) ও এডাল্টিসাইডিং (পূর্ণবয়স্ক মশা ধ্বংস) নিয়ম অনুযায়ী করা হচ্ছে।

আলাদা হাসপাতালে হবে ডেঙ্গুর চিকিৎসা-স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৫:২৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১

ঢাকা ব্যুরো ।।

করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণের মধ্যেই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ডেঙ্গু রোগীদের করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতে কয়েকটি হাসপাতাল নির্দিষ্ট করতে যাচ্ছে সরকার।

রবিবার (২৫ জুলাই) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত এক হাজার শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের এমন পরিস্থিতিতে নতুন সংকট তৈরি করেছে ডেঙ্গু। প্রতিদিনই হাসপাতালের বারান্দায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ‌্যা বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্তদের অনেকেই হাসপাতালে এসে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় ডেঙ্গু রোগীদের জন‌্য সুনির্দিষ্ট হাসপাতাল ব‌্যবস্থা করার পরিকল্পনা নিচ্ছি। তাই আমরা আজকে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল চিহ্নিত করেছি, যেখানে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা নেব। কারণ, যেখানে করোনা রোগীর চিকিৎসা হয়, সেখানে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, যেসব হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা করা হবে সেগুলো হচ্ছে — স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল, লালকুঠি হাসপাতাল, রেলওয়ে হাসপাতালসহ আরও কয়েকটি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা হবে। অন্যান্য হাসপাতালে জায়গা নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে এ বিষয়ে জানিয়ে দেয়া হবে। সেই অনুযায়ী আপনারা ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা নেবেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু ধরা পড়েছে ১০৫ জনের শরীরে। এর আগে শনিবার ১০৪ জন ও শুক্রবার ৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪৬০ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪৫৪ জন। অন্যান্য বিভাগে রোগী তিনজন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ শাখা থেকে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী এডিস মশা নিধনে এপ্রিলের ১ তারিখ থেকেই স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশিত সব জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া, নিয়মিত লার্ভিসাইডিং (মশার লার্ভা ধ্বংস) ও এডাল্টিসাইডিং (পূর্ণবয়স্ক মশা ধ্বংস) নিয়ম অনুযায়ী করা হচ্ছে।