বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ভারত-চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রত্যক্ষ করছে মানুষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল দাবানল থেকে চীনের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। বছরের পর বছর দূষণের ফল এখন টের পাচ্ছে বিশ্ব। এরই মধ্যে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক গবেষকরা। তারা বলছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে ভারত এবং চীনের ঝুঁকি বেশি।’ চীনের বিভিন্ন প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের জেরে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বন্যার কারণে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কোটি কোটি মানুষ। ভারতে ভূমিধস ও প্রবল বৃষ্টিতে অনেক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ডেবরা জ্যাভলিন জানান, ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের প্রভাব, দুটি ক্ষেত্রেই বিপদগুলো অত্যন্ত পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। এতে অবাক হওয়ার মতো কিছুই নেই। তবে এই গবেষণা তথ্য এবং বিশ্লেষণধর্মী। ফলে এটি আমাদের এ বিষয়ে নীতি গ্রহণ করতে সাহায্য করবে।’

বিভিন্ন রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের অধ্যয়নের সুবিধার জন্য এই রিপোর্টের লেখকরা ‘টার্গেট’ ভিত্তিতে পরপর ১৭৭টি দেশকে সাজিয়েছেন। এই টার্গেট হলো একটি দেশের জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকি, বিষাক্ত দূষণের ঝুঁকি এবং বর্তমানে সেগুলো রোধে দেশের উদ্যোগের গড়।

এই মানদণ্ডের ভিত্তিতে সমীক্ষায় চীন, ভারত, সিঙ্গাপুর, রুয়ান্ডা, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভুটান, বোতসওয়ানা, জর্জিয়া, কোরিয়া এবং থাইল্যান্ডকে শীর্ষ দশ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিন হাউজ গ্যাস উৎপাদক হিসাবে চীনকে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরেই রাখা হয়েছে ভারতকে।

জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ভারত-চীন

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৫:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১
আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রত্যক্ষ করছে মানুষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল দাবানল থেকে চীনের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। বছরের পর বছর দূষণের ফল এখন টের পাচ্ছে বিশ্ব। এরই মধ্যে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক গবেষকরা। তারা বলছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে ভারত এবং চীনের ঝুঁকি বেশি।’ চীনের বিভিন্ন প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের জেরে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বন্যার কারণে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কোটি কোটি মানুষ। ভারতে ভূমিধস ও প্রবল বৃষ্টিতে অনেক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ডেবরা জ্যাভলিন জানান, ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের প্রভাব, দুটি ক্ষেত্রেই বিপদগুলো অত্যন্ত পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। এতে অবাক হওয়ার মতো কিছুই নেই। তবে এই গবেষণা তথ্য এবং বিশ্লেষণধর্মী। ফলে এটি আমাদের এ বিষয়ে নীতি গ্রহণ করতে সাহায্য করবে।’

বিভিন্ন রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের অধ্যয়নের সুবিধার জন্য এই রিপোর্টের লেখকরা ‘টার্গেট’ ভিত্তিতে পরপর ১৭৭টি দেশকে সাজিয়েছেন। এই টার্গেট হলো একটি দেশের জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকি, বিষাক্ত দূষণের ঝুঁকি এবং বর্তমানে সেগুলো রোধে দেশের উদ্যোগের গড়।

এই মানদণ্ডের ভিত্তিতে সমীক্ষায় চীন, ভারত, সিঙ্গাপুর, রুয়ান্ডা, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভুটান, বোতসওয়ানা, জর্জিয়া, কোরিয়া এবং থাইল্যান্ডকে শীর্ষ দশ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিন হাউজ গ্যাস উৎপাদক হিসাবে চীনকে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরেই রাখা হয়েছে ভারতকে।